Dhaka ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নব্বইয়ের দশকের কবিতা ও কবি ইমরুল হাসান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলা কাব্যসাহিত্যের ইতিহাসে নব্বইয়ের দশক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়, যখন একদল প্রতিভাবান লেখক কাব্যজগতে নানা নিরীক্ষা ও বৈচিত্র্য নিয়ে আবির্ভূত হন। এই প্রজন্মের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে ইমরুল হাসান বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। আশির দশকে বাংলা কবিতায় যে রূপান্তর ও বাঁকবদল শুরু হয়েছিল, নব্বইয়ের দশকে তা আরও সুনির্দিষ্ট রূপ লাভ করে। আগের দশকের বহির্মুখীন যাত্রার বিপরীতে নব্বইয়ের কবিতায় একধরনের অন্তর্মুখীনতা লক্ষ্য করা যায়, যা মানুষের চিন্তা-পদ্ধতি ও ভাষার গঠনেও প্রভাব ফেলে।

এ সময়কার কবিতায় মুখের কাছাকাছি ও পূর্ববঙ্গীয় জনপদের ভাষার আবহ তৈরি হয়, যেখানে সাধারণ মানুষের জীবন, ভালোবাসা, আকাঙ্ক্ষা ও বেদনার বাস্তব রূপ ফুটে ওঠে। ঔপনিবেশিক আধুনিকতার ইউরোপীয় প্রভাবে আচ্ছন্ন কাব্যরীতি থেকে বেরিয়ে এসে নব্বইয়ের কবিরা লৌকিক ও ঐতিহ্যবাহী শেকড়ের কাছাকাছি পৌঁছানোর তাগিদ অনুভব করেন। ফলশ্রুতিতে, কেবল শব্দনির্ভর নান্দনিকতা বা কৃত্রিম সুন্দর তৈরির প্রবণতা কাটিয়ে কবিতায় সমসাময়িক জীবনবোদ ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর জোরালোভাবে স্থান পেতে শুরু করে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নব্বইয়ের দশকের কবিতা ও কবি ইমরুল হাসান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা কাব্যসাহিত্যের ইতিহাসে নব্বইয়ের দশক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়, যখন একদল প্রতিভাবান লেখক কাব্যজগতে নানা নিরীক্ষা ও বৈচিত্র্য নিয়ে আবির্ভূত হন। এই প্রজন্মের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে ইমরুল হাসান বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। আশির দশকে বাংলা কবিতায় যে রূপান্তর ও বাঁকবদল শুরু হয়েছিল, নব্বইয়ের দশকে তা আরও সুনির্দিষ্ট রূপ লাভ করে। আগের দশকের বহির্মুখীন যাত্রার বিপরীতে নব্বইয়ের কবিতায় একধরনের অন্তর্মুখীনতা লক্ষ্য করা যায়, যা মানুষের চিন্তা-পদ্ধতি ও ভাষার গঠনেও প্রভাব ফেলে।

এ সময়কার কবিতায় মুখের কাছাকাছি ও পূর্ববঙ্গীয় জনপদের ভাষার আবহ তৈরি হয়, যেখানে সাধারণ মানুষের জীবন, ভালোবাসা, আকাঙ্ক্ষা ও বেদনার বাস্তব রূপ ফুটে ওঠে। ঔপনিবেশিক আধুনিকতার ইউরোপীয় প্রভাবে আচ্ছন্ন কাব্যরীতি থেকে বেরিয়ে এসে নব্বইয়ের কবিরা লৌকিক ও ঐতিহ্যবাহী শেকড়ের কাছাকাছি পৌঁছানোর তাগিদ অনুভব করেন। ফলশ্রুতিতে, কেবল শব্দনির্ভর নান্দনিকতা বা কৃত্রিম সুন্দর তৈরির প্রবণতা কাটিয়ে কবিতায় সমসাময়িক জীবনবোদ ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর জোরালোভাবে স্থান পেতে শুরু করে।