গ্রিনল্যান্ড অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
নতুন এই চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডের পিতুফিক স্পেস বেস আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি নারসারসুয়াক এবং মেস্টারসভিগ এলাকায় নতুন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। চুক্তির শর্তানুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের আকাশসীমা ও আঞ্চলিক জলসীমায় মার্কিন বিমান চলাচল এবং সমুদ্রতলে অবাধ প্রবেশাধিকারের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এবং সর্বসম্মত অনুমোদন ছাড়া ন্যাটোর বহির্ভূত কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ভূখণ্ডে কোনো ধরনের সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলতে পারবে না।
দীর্ঘ মাসব্যাপী চলা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের নানা হুমকির গুঞ্জনের পর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এই সমঝোতাকে একটি দীর্ঘমেয়ায়ী ও ফলপ্রসূ চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনও চুক্তিটিকে উভয় পক্ষের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক অর্জন বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা এই চুক্তিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা একে আর্কটিক অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আন্তঃআটলান্টিক অংশীদারত্ব জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।























