মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে। ইরান দাবি করেছে, দেশটির ওপর আবারও বড় ধরনের বোমা হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর আগে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ইরান সমর্থিত হুথিদের বড় ধরনের হামলার ঘটনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন করে সামরিক অভিযানের সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের হাতে রয়েছে। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এদিকে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে যখন কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে, তখনই ট্রাম্পের ক্যাম্প ডেভিড সফর সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরও ওই অঞ্চলে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, অদূর ভবিষ্যতে ‘খুব বড় কিছু’ ঘটতে পারে। ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া কিংবা অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার মতো বিকল্পগুলো নিয়ে তিনি চিন্তাভাবনা করছেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা তাদের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। ভারত মহাসাগরে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যরাও এই আক্রমণের আওতামুক্ত থাকবে না বলে তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে।























