Dhaka ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কলাপাড়ায় নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রায় ৫৩ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে শিশুটির বাড়ির সামনের একটি খাল থেকে ব্যাগভর্তি অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আল আমিন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে খালের কচুরিপানার মধ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে কচুরিপানা সরিয়ে একটি ব্যাগের মধ্যে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে কলাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় রাইয়ান তার বাবা রাসেল খানের পাশে ঘুমিয়ে ছিল। শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে ঘরে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বাড়ির আঙিনা, পুকুর, ডোবা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির মা রুমানা বেগম কলাপাড়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় তার ভগ্নিপতি আল আমিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়। এর আগেই ওইদিন দুপুরে ঘুটাবাছা গ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পারিবারিক বিষয় নিয়ে আল আমিন ও শিশুটির বাবা রাসেল খানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগে শিশুটিকে অপহরণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে শিশুটি কীভাবে নিখোঁজ হলো, তার মৃত্যুর কারণ কী এবং এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা কতটুকু, তা তদন্তসাপেক্ষ।

নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুটির লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। এ ঘটনায় ঘুটাবাছা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নিখোঁজ শিশু রাইয়ানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আল আমিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কলাপাড়ায় নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রায় ৫৩ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে শিশুটির বাড়ির সামনের একটি খাল থেকে ব্যাগভর্তি অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আল আমিন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে খালের কচুরিপানার মধ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে কচুরিপানা সরিয়ে একটি ব্যাগের মধ্যে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে কলাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় রাইয়ান তার বাবা রাসেল খানের পাশে ঘুমিয়ে ছিল। শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে ঘরে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বাড়ির আঙিনা, পুকুর, ডোবা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির মা রুমানা বেগম কলাপাড়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় তার ভগ্নিপতি আল আমিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়। এর আগেই ওইদিন দুপুরে ঘুটাবাছা গ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পারিবারিক বিষয় নিয়ে আল আমিন ও শিশুটির বাবা রাসেল খানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগে শিশুটিকে অপহরণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে শিশুটি কীভাবে নিখোঁজ হলো, তার মৃত্যুর কারণ কী এবং এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা কতটুকু, তা তদন্তসাপেক্ষ।

নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুটির লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। এ ঘটনায় ঘুটাবাছা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নিখোঁজ শিশু রাইয়ানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আল আমিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’