যুক্তরাষ্ট্রে গত সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। নিত্যপণ্যের বাড়তি মূল্য ও জ্বালানির খরচ বৃদ্ধিতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, যা আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, আগস্টে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বরের এই মূল্যবৃদ্ধির অর্ধেকের বেশি কারণ ছিল পেট্রলের মূল্যবৃদ্ধি। গত বছরের তুলনায় পেট্রলের দাম ৩৪ শতাংশ, গৃহস্থালি জ্বালানি তেলের দাম ৭৪ শতাংশ এবং বিমানভাড়া ২২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। খাদ্য ও জ্বালানি বাদে মূল মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৬ শতাংশে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ সংঘাতের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে বর্তমান মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে অংশ নেওয়া ৭৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিই এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী। এদিকে মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলবে।























