Dhaka ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চরফ্যাশনে সার ডিলারশিপ বিতর্কে যুবদল নেতার দায়িত্ব হস্তান্তর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সারের ডিলারশিপের প্রাথমিক তালিকায় নাম আসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের মুখে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও সাবেক কাউন্সিলর হাজী জাহিদুল ইসলাম রাসেল। তিনি দাবি করেছেন, তার নামে বা বেনামে কোনো সারের ডিলারশিপ নেই এবং তিনি নির্দোষ।

তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তালিকায় জাহানপুর ইউনিয়নের ডিলারশিপের বিষয়ে তার নাম আসার পর তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ডেকে এর কাগজপত্র ও পরিচালনার দায়িত্ব স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন বলে জানান।

জাহিদুল ইসলাম রাসেল বলেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চরফ্যাশনের ২১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২২ জন সার ডিলারের বিপরীতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সুপারিশ করা একটি তালিকা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, জাহানপুর ইউনিয়নের নিয়োগ পাওয়া সার ডিলার ‘ফরাজি ট্রেডার্স’-এর নামের পাশে সুপারিশকারী হিসেবে তার নাম লেখা হয়েছে। এতে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন। অহেতুক বিতর্ক এড়াতে এবং দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা যাতে এর সুফল পান, সে লক্ষ্যে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের ডেকে লিখিতভাবে মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

তিনি আরও আহ্বান জানান, অন্যান্য ইউনিয়ন বা পৌরসভায় যাদের সুপারিশে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে, তারাও স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে তা হস্তান্তর করে এই বিতর্কের অবসান ঘটাবেন।

উল্লেখ্য, চরফ্যাশন উপজেলার ২২টি সার ডিলারশিপ নিয়োগ ও বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের দেওয়া সুপারিশের একটি তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। তালিকায় বিএনপির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিতর্কিত ব্যক্তি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের স্বজনদের নাম থাকার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি ডিলারশিপের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কৃষি সচিব বরাবর লিখিত আবেদনও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চরফ্যাশনে সার ডিলারশিপ বিতর্কে যুবদল নেতার দায়িত্ব হস্তান্তর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সারের ডিলারশিপের প্রাথমিক তালিকায় নাম আসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের মুখে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও সাবেক কাউন্সিলর হাজী জাহিদুল ইসলাম রাসেল। তিনি দাবি করেছেন, তার নামে বা বেনামে কোনো সারের ডিলারশিপ নেই এবং তিনি নির্দোষ।

তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তালিকায় জাহানপুর ইউনিয়নের ডিলারশিপের বিষয়ে তার নাম আসার পর তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ডেকে এর কাগজপত্র ও পরিচালনার দায়িত্ব স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন বলে জানান।

জাহিদুল ইসলাম রাসেল বলেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চরফ্যাশনের ২১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২২ জন সার ডিলারের বিপরীতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সুপারিশ করা একটি তালিকা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, জাহানপুর ইউনিয়নের নিয়োগ পাওয়া সার ডিলার ‘ফরাজি ট্রেডার্স’-এর নামের পাশে সুপারিশকারী হিসেবে তার নাম লেখা হয়েছে। এতে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন। অহেতুক বিতর্ক এড়াতে এবং দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা যাতে এর সুফল পান, সে লক্ষ্যে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের ডেকে লিখিতভাবে মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

তিনি আরও আহ্বান জানান, অন্যান্য ইউনিয়ন বা পৌরসভায় যাদের সুপারিশে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে, তারাও স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে তা হস্তান্তর করে এই বিতর্কের অবসান ঘটাবেন।

উল্লেখ্য, চরফ্যাশন উপজেলার ২২টি সার ডিলারশিপ নিয়োগ ও বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের দেওয়া সুপারিশের একটি তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। তালিকায় বিএনপির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিতর্কিত ব্যক্তি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের স্বজনদের নাম থাকার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি ডিলারশিপের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কৃষি সচিব বরাবর লিখিত আবেদনও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।