Dhaka ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ হতে চীনে বিশাল ডেটা সেন্টার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:২৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক আধিপত্যের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান ঘোচাতে ব্যাপক আকারে ডেটা সেন্টার নির্মাণে মনোযোগ দিয়েছে চীন। দেশটির ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের উলানচাব শহরে একের পর এক গড়ে উঠছে বিশালাকার ডেটা সেন্টার। মূলত সাশ্রয়ী মূল্যের জমি, বিপুল বিদ্যুৎ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে বেইজিং এআই খাতের অবকাঠামো দ্রুত সম্প্রসারণ করছে।

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় উলানচাব শহরে বর্তমানে প্রায় ৯০টি ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শহরটির বায়িন বিগ ডেটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বড় অংশ মাত্র দুই বছরের মধ্যে গড়ে ওঠা চীনের দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণের সক্ষমতাকে তুলে ধরে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে অত্যাধুনিক চিপের সংকট ও কম্পিউটিং সক্ষমতার ঘাটতি। সেই ঘাটতি পূরণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোর সুবিধাকে কাজে লাগাতে চাইছে দেশটি।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছর চীনে যতগুলো এআই ডেটা সেন্টার ছিল, যুক্তরাষ্ট্রে তার সংখ্যা ছিল প্রায় দশ গুণ। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এনভিডিয়া ও এএমডির মতো নির্মাতাদের উন্নত চিপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে একচ্ছত্র সুবিধা পাচ্ছে, যা চীনা প্রতিষ্ঠানের জন্য সীমিত। তবুও বেইজিং আগামী পাঁচ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোয় ৫৬ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বিধিনিষেধের মুখে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো একাধিক চিপ একত্র করে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প পথ খুঁজছে। পাশাপাশি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে অতিরিক্ত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ‘ইস্টার্ন ডেটা, ওয়েস্টার্ন কম্পিউট’ কৌশলের আওতায় নতুন কম্পিউটিং ক্লাস্টার তৈরি করা হচ্ছে। তবে চিপের তীব্র ঘাটতি ও দূরবর্তী কেন্দ্রের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বেইজিং কতটা এগোতে পারে, তা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে আলোচনা চলছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ হতে চীনে বিশাল ডেটা সেন্টার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:২৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক আধিপত্যের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান ঘোচাতে ব্যাপক আকারে ডেটা সেন্টার নির্মাণে মনোযোগ দিয়েছে চীন। দেশটির ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের উলানচাব শহরে একের পর এক গড়ে উঠছে বিশালাকার ডেটা সেন্টার। মূলত সাশ্রয়ী মূল্যের জমি, বিপুল বিদ্যুৎ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে বেইজিং এআই খাতের অবকাঠামো দ্রুত সম্প্রসারণ করছে।

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় উলানচাব শহরে বর্তমানে প্রায় ৯০টি ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শহরটির বায়িন বিগ ডেটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বড় অংশ মাত্র দুই বছরের মধ্যে গড়ে ওঠা চীনের দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণের সক্ষমতাকে তুলে ধরে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে অত্যাধুনিক চিপের সংকট ও কম্পিউটিং সক্ষমতার ঘাটতি। সেই ঘাটতি পূরণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোর সুবিধাকে কাজে লাগাতে চাইছে দেশটি।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছর চীনে যতগুলো এআই ডেটা সেন্টার ছিল, যুক্তরাষ্ট্রে তার সংখ্যা ছিল প্রায় দশ গুণ। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এনভিডিয়া ও এএমডির মতো নির্মাতাদের উন্নত চিপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে একচ্ছত্র সুবিধা পাচ্ছে, যা চীনা প্রতিষ্ঠানের জন্য সীমিত। তবুও বেইজিং আগামী পাঁচ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোয় ৫৬ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বিধিনিষেধের মুখে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো একাধিক চিপ একত্র করে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প পথ খুঁজছে। পাশাপাশি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে অতিরিক্ত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ‘ইস্টার্ন ডেটা, ওয়েস্টার্ন কম্পিউট’ কৌশলের আওতায় নতুন কম্পিউটিং ক্লাস্টার তৈরি করা হচ্ছে। তবে চিপের তীব্র ঘাটতি ও দূরবর্তী কেন্দ্রের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বেইজিং কতটা এগোতে পারে, তা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে আলোচনা চলছে।