অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনের প্রতি কঠোর নির্দেশনা সিইসির
নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আনা অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে আইনের শাসন বাস্তবায়নের বিকল্প নেই—বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “আইনের শাসন কাকে বলে—আমরা তা দেখিয়ে দিতে চাই।”
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সিইসি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ঘিরে যেসব অভিযোগ ও অপবাদ উঠেছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে রুল অব ল বা আইনের শাসন বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে বা নির্বাচন ‘ম্যানেজড’ ছিল—এমন অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে নির্বাচন কমিশন চায় সঠিক, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করে প্রমাণ দিতে।
বক্তব্যের শুরুতে সিইসি শহীদ উসমান হাদি–র রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, দেশ বর্তমানে একটি সংকটময় ও গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন, মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর একটি শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব এসে পড়েছে।
সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, মাঠ পর্যায়ে যারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করছেন, তাদের ভূমিকার ওপরই নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা নির্ভর করে।
“আপনারা কাজ না করলে আমার কর্তৃত্বও কাজ করবে না,”—বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সিস্টেমকে সচল রাখা, সঠিকভাবে ডেলিভারি নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটানো—এই দায়িত্ব পুরোপুরি মাঠ প্রশাসনের ওপর বর্তায়।
“আপনারা সবাই এ দায়িত্বের জন্য সমভাবে দায়বদ্ধ,”—উল্লেখ করেন সিইসি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আশা প্রকাশ করে বলেন, সবাই সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করলে আইনের শাসনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।
এই বৈঠকে নির্বাচন কমিশনারগণ, ইসি কর্মকর্তারা, বিভাগীয় কমিশনার, আইজিপি, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপাররা অংশ নেন।
















