রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ঐতিহাসিক তিন নেতার মাজারের কাছাকাছি সড়কে একটি হাতবোমা বা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান যে, গত শনিবার রাত পৌনে বারোটার দিকে এই আকস্মিক বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয়।
এ বিষয়ে ওসি মনিরুজ্জামান বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, “মেট্রোরেল প্রকল্পের একটি পিয়ারের নিকটবর্তী স্থানে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে।” এর পাশাপাশি রাজধানী শহরের সচিবালয় সংলগ্ন মেট্রো স্টেশনের নিচ থেকেও আরেকটি হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর খবর পাওয়া গেছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশের এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন যে, তারা একটি বিস্ফোরণের সংবাদ হাতে পেয়েছেন এবং এর সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এর ঠিক আগে, গত শনিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এলাকায় একটি হাতবোমা বিস্ফোরিত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে রেলওয়ে পুলিশ। শুধু তাই নয়, রাতের বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার বিপরীত পাশে বিস্ফোরণ, মিরপুর ও বাড্ডা এলাকায় গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ঠিক সামনেও অনুরূপ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
এসব ধারাবাহিক সহিংসতার মাঝেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বার্তা প্রচার করা হয়েছে। ওই বার্তায় জানানো হয়েছে যে, হাতবোমা বিস্ফোরণের এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একটি মোটরসাইকেলসহ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা মোট কতজনকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে ওই বার্তায় কোনো বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এই সার্বিক পরিস্থিতি এবং আটকের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরতে আজ রোববার দুপুর ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে বলে বার্তায় জানানো হয়েছে।


























