Dhaka ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ: জানা গেল নানা পাটেকরের মৃত্যুর আসল কারণ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও শক্তিমান অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করেছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন। গত ৮ অক্টোবর ভোরে গোয়ার নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর ৭৫ বছর বয়সী এই অভিনেতাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদ্‌রোগজনিত জটিলতা শনাক্ত করা হয়েছে।

অভিনেতার মৃত্যুর পর পানাজি থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়। পরে তার মরদেহ গোয়ার বাম্বোলির গোয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে চিকিৎসকদের একটি দল জানায়, হৃদ্‌পিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী প্রধান ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে তীব্র হার্ট অ্যাটাক হয়। চিকিৎসকেরা তার মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন।

ঘটনার দিন পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ার ডোনা পাউলায় নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নানা পাটেকর। পরে তাকে ডোনা পাউলার মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘ক্রান্তিবীর’, ‘প্রহার’, ‘আব তক ছাপ্পান’ এবং মারাঠি চলচ্চিত্র ‘নটসম্রাট’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকর। পর্দার বাইরেও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তিনি। ‘নাম ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে দরিদ্র কৃষকদের কল্যাণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন নানা পাটেকর। ১৯৮৮ সালে ‘সালাম বোম্বে!’ এবং পরে ‘পারিন্দা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। এরপর ‘আঙ্গার’, ‘তিরঙ্গা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘যশবন্ত’, ‘আব তক ছাপ্পান’, ‘অপহরণ’ ও ‘রাজনীতি’র মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ চলচ্চিত্র পরিচালনার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন নানা পাটেকর। হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মারাঠি সিনেমা ও নাটকেও তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। অভিনয় ও শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ: জানা গেল নানা পাটেকরের মৃত্যুর আসল কারণ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও শক্তিমান অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করেছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন। গত ৮ অক্টোবর ভোরে গোয়ার নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর ৭৫ বছর বয়সী এই অভিনেতাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদ্‌রোগজনিত জটিলতা শনাক্ত করা হয়েছে।

অভিনেতার মৃত্যুর পর পানাজি থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়। পরে তার মরদেহ গোয়ার বাম্বোলির গোয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে চিকিৎসকদের একটি দল জানায়, হৃদ্‌পিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী প্রধান ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে তীব্র হার্ট অ্যাটাক হয়। চিকিৎসকেরা তার মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন।

ঘটনার দিন পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ার ডোনা পাউলায় নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নানা পাটেকর। পরে তাকে ডোনা পাউলার মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘ক্রান্তিবীর’, ‘প্রহার’, ‘আব তক ছাপ্পান’ এবং মারাঠি চলচ্চিত্র ‘নটসম্রাট’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকর। পর্দার বাইরেও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তিনি। ‘নাম ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে দরিদ্র কৃষকদের কল্যাণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন নানা পাটেকর। ১৯৮৮ সালে ‘সালাম বোম্বে!’ এবং পরে ‘পারিন্দা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। এরপর ‘আঙ্গার’, ‘তিরঙ্গা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘যশবন্ত’, ‘আব তক ছাপ্পান’, ‘অপহরণ’ ও ‘রাজনীতি’র মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ চলচ্চিত্র পরিচালনার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন নানা পাটেকর। হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মারাঠি সিনেমা ও নাটকেও তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। অভিনয় ও শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী দেওয়া হয়।