ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসের ডাকা আন্দোলনে শামিল হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের দল ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) ও পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি)। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অংশ হিসেবে কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
শ্রীনগরের কংগ্রেস কার্যালয় থেকে এনসি ও পিডিপির নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে লাল চকের দিকে অগ্রসর হতে চাইলে নিরাপত্তা বাহিনী তাতে বাধা দেয়। বিক্ষোভকারীরা ভোট চুরির অভিযোগ তুলে সিইসির পদত্যাগ চেয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। এছাড়া গান্দেরবাল ও অনন্তনাগেও যৌথভাবে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে দিল্লিতে বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ইন্টারনেট বন্ধ ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘটনাকে ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, কাশ্মীরের দমন-পীড়নের মডেল এখন দিল্লিতে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের সময় যেভাবে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করে প্রতিবাদ অস্বীকার করা হয়েছিল, দিল্লিতেও একই কায়দায় ভিন্নমত দমন করে নীরবতা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও ভোটার তালিকায় জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে এখনও নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপির বক্তব্য যাচাই প্রয়োজন।























