ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে রাজধানী নয়াদিল্লি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে শহরজুড়ে ৪০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনসহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এ সময় সাবেক চার মুখ্যমন্ত্রীসহ প্রায় সাত হাজার আন্দোলনকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সিইসির পদত্যাগের দাবি তুলে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। বিক্ষোভ রুখতে রাজধানীর যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড দেওয়া হয় এবং অর্ধশত মেট্রোরেল স্টেশন ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখা হয়। তবে সমস্ত বাধা ও আটক অভিযান সত্ত্বেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
আন্দোলনের এই আঁচ দিল্লির বাইরে মুম্বাই, ব্যাঙ্গালুরু, কলকাতা ও চণ্ডীগড়সহ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভ দমন ও বিরোধী নেতাদের আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্র সরকারের সমালোচনা করেছেন প্রধান বিরোধী দলগুলোর নেতারা। এ দিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দিল্লির সার্বিক চলাচলে বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে দায়ের করা আবেদনের ওপর দেশের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।























