কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জে এক ব্যক্তির গোয়ালঘর থেকে গরু চুরির চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা মো. মফিজুল হককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা ছাত্রদল। অভিযুক্ত মফিজুল হক মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজীবপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান ও সদস্য সচিব নাজমুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মফিজুল হককে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার তদন্তে গঠিত চার সদস্যের কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আহমেদকে। এই কমিটিকেও আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর রাতে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ভোটাং পাড়া গ্রামের ওমর আলীর গোয়ালঘরে চুরির উদ্দেশ্যে মফিজুলসহ কয়েকজন প্রবেশ করেন। গৃহকর্তা বিষয়টি টের পেয়ে মফিজুলকে হাতেনাতে ধরে ফেললে তিনি ওমর আলীর আঙুল মুচড়ে দিয়ে পালিয়ে যান। পরদিন সকালে স্থানীয় বাজারে ওমর আলীকে প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে দুলাল হোসেন বাদী হয়ে মফিজুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢুষমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঢুষমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























