Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশপন্থা: একটি নতুন রাষ্ট্রদর্শনের রূপরেখা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘকাল ধরে বাঙালি বনাম মুসলমান কিংবা একাত্তর বনাম ইসলামের মতো কৃত্রিম বিভাজন তৈরি করে রাখা হয়েছে। অথচ দেশের নাগরিকেরা একই সঙ্গে নিজেদের ধর্মীয় ও জাতীয় পরিচয় ধারণ করতে পারেন। জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এই পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ভেঙে একটি নতুন ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ইতিহাসকে কোনো নির্দিষ্ট দলের রাজনৈতিক সম্পত্তিতে পরিণত করা এবং ব্যক্তিপূজার সংস্কৃতি রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক থেকে স্বৈরতান্ত্রিক করে তোলে। জুলাইয়ের আন্দোলন কেবল কোটা সংস্কারের ছিল না, বরং এটি ছিল রাষ্ট্রে নাগরিক মর্যাদা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লড়াই। এই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, দেশের শাসনব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তি পরিবর্তন করা জরুরি।

এই প্রেক্ষাপটে ‘বাংলাদেশপন্থা’ নামক একটি নতুন রাষ্ট্রদর্শনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এগুলো হলো—ইসলামি নৈতিকতা ও ইনসাফ, আধুনিক গণতন্ত্র ও সুশাসন, বাংলাদেশের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা। এই সমন্বিত চিন্তার মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন এবং জাতীয় পুনর্মিলন নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশপন্থা: একটি নতুন রাষ্ট্রদর্শনের রূপরেখা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘকাল ধরে বাঙালি বনাম মুসলমান কিংবা একাত্তর বনাম ইসলামের মতো কৃত্রিম বিভাজন তৈরি করে রাখা হয়েছে। অথচ দেশের নাগরিকেরা একই সঙ্গে নিজেদের ধর্মীয় ও জাতীয় পরিচয় ধারণ করতে পারেন। জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এই পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ভেঙে একটি নতুন ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ইতিহাসকে কোনো নির্দিষ্ট দলের রাজনৈতিক সম্পত্তিতে পরিণত করা এবং ব্যক্তিপূজার সংস্কৃতি রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক থেকে স্বৈরতান্ত্রিক করে তোলে। জুলাইয়ের আন্দোলন কেবল কোটা সংস্কারের ছিল না, বরং এটি ছিল রাষ্ট্রে নাগরিক মর্যাদা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লড়াই। এই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, দেশের শাসনব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তি পরিবর্তন করা জরুরি।

এই প্রেক্ষাপটে ‘বাংলাদেশপন্থা’ নামক একটি নতুন রাষ্ট্রদর্শনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এগুলো হলো—ইসলামি নৈতিকতা ও ইনসাফ, আধুনিক গণতন্ত্র ও সুশাসন, বাংলাদেশের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা। এই সমন্বিত চিন্তার মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন এবং জাতীয় পুনর্মিলন নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।