বঙ্গোপসাগরে ইলিশের আকালের মধ্যে শুরু হয়েছে মাছ ধরার ট্রলারে একশ্রেণির দস্যুর তাণ্ডব। জেলে সেজে বড় ট্রলার নিয়ে আসা এই দস্যুরা ছোট ও মাঝারি নৌযান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তারা জাল, মাছ, জ্বালানি তেল ও খাবার লুট করার পাশাপাশি জেলেদের মারধর করছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার অভাবে সাগরে না গিয়ে পটুয়াখালীর চরমোন্তাজসহ উপকূলের বিভিন্ন ঘাটে শত শত ট্রলার নোঙর করে রেখেছেন জেলেরা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাঙ্গাবালীর সোনারচর ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের বয়া এলাকা থেকে গভীর সাগর পর্যন্ত এসব হামলার ঘটনা ঘটছে। হামলাকারীরা বড় আকারের ফিশিংবোট ব্যবহার করে অতর্কিতে হামলা চালায়। বাধা দিলে মারধর করে সাগরে ফেলে দেওয়ার চেষ্টার মতো ঘটনাও ঘটেছে। হামলাকারীদের ভয়ে অনেক জেলেই সাগরে নামতে সাহস পাচ্ছেন না, আবার অনেকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিতেও অনীহা প্রকাশ করছেন।
সোনারচর এলাকায় দস্যুতার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে নয়জনকে একটি ট্রলারসহ নৌপুলিশে সোপর্দ করা হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে মামলা হয়েছে। রাঙ্গাবালী নৌপুলিশ জানিয়েছে, গভীর সাগর তাদের এখতিয়ারভুক্ত না হলেও তাদের আওতাধীন এলাকায় নিয়মিত টহল চলছে। এদিকে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে এমন পরিস্থিতিতে জেলেদের জীবন-জীবিকা চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


























