Dhaka ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃক তামাক, মাদকসদৃশ পাউডার ও স্ক্র্যাপ পেপারের চালান আটক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

অন্যের প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য জালিয়াতি করে চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে আসা একটি সন্দেহজনক ও অবৈধ পণ্যচালান আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। কায়িক পরীক্ষার মাধ্যমে উদঘাটিত এই চাঞ্চল্যকর চালানে তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী, বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো দেখতে বিভিন্ন রঙের পাউডারজাত পদার্থ এবং প্রিন্টেড পেপারের পরিবর্তে সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার উদ্ধার করা হয়েছে। কাস্টমস নথিপত্র অনুযায়ী, ‘এমভি উদ্দীপন এক্সপ্রেস’ নামক জাহাজে গত ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে যাত্রা করে চালানটি ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।

নথি ঘেঁটে জানা গেছে, আমদানিকারক বা কনসাইনি হিসেবে নথিতে ‘অথৈ এন্টারপ্রাইজ’ নামক প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী লিখিতভাবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে তিনি বা তাঁর প্রতিষ্ঠান এই আমদানির বিষয়ে সম্পূর্ণ অনবহিত। তাঁর ধারণা, কোনো অসাধু চক্র তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম ও লাইসেন্সের তথ্য বেআইনিভাবে ব্যবহার করে এই চালানটি এনেছে এবং তিনি প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন। দুটি ভিন্ন হাউস বিল অব লেডিংয়ের (House B/L)-এর মাধ্যমে আমদানি দেখানো এই চালানে ঘোষণাবহির্ভূত ও নিষিদ্ধ পণ্য খালাসের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিচালিত কায়িক পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪০ প্যাকেজে সর্বমোট ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ১৭ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন পণ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রথম হাউস বি/এল-এর আওতায় ঘোষিত ‘পান মসলা ও জর্দা’-র বিপরীতে ৪৭০ প্যাকেজে প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে গাড়ো বাদামী, বাদামী, ধূসর ও সাদা রঙের পাউডারজাত পদার্থ রয়েছে যা বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে। তবে এই পাউডারগুলোতে কোনো নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত মাদক উপাদান রয়েছে কি না, তা ল্যাবরেটরি ও রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় হাউস বি/এল-এ ‘প্রিন্টেড পেপার ক্যাটালগ’ ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজে প্রায় ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া গেছে, যা ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। বর্তমানে পুরো বিষয়টি কঠোর তদন্তের আওতায় রয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃক তামাক, মাদকসদৃশ পাউডার ও স্ক্র্যাপ পেপারের চালান আটক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্যের প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য জালিয়াতি করে চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে আসা একটি সন্দেহজনক ও অবৈধ পণ্যচালান আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। কায়িক পরীক্ষার মাধ্যমে উদঘাটিত এই চাঞ্চল্যকর চালানে তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী, বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো দেখতে বিভিন্ন রঙের পাউডারজাত পদার্থ এবং প্রিন্টেড পেপারের পরিবর্তে সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার উদ্ধার করা হয়েছে। কাস্টমস নথিপত্র অনুযায়ী, ‘এমভি উদ্দীপন এক্সপ্রেস’ নামক জাহাজে গত ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে যাত্রা করে চালানটি ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।

নথি ঘেঁটে জানা গেছে, আমদানিকারক বা কনসাইনি হিসেবে নথিতে ‘অথৈ এন্টারপ্রাইজ’ নামক প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী লিখিতভাবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে তিনি বা তাঁর প্রতিষ্ঠান এই আমদানির বিষয়ে সম্পূর্ণ অনবহিত। তাঁর ধারণা, কোনো অসাধু চক্র তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম ও লাইসেন্সের তথ্য বেআইনিভাবে ব্যবহার করে এই চালানটি এনেছে এবং তিনি প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন। দুটি ভিন্ন হাউস বিল অব লেডিংয়ের (House B/L)-এর মাধ্যমে আমদানি দেখানো এই চালানে ঘোষণাবহির্ভূত ও নিষিদ্ধ পণ্য খালাসের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিচালিত কায়িক পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪০ প্যাকেজে সর্বমোট ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ১৭ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন পণ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রথম হাউস বি/এল-এর আওতায় ঘোষিত ‘পান মসলা ও জর্দা’-র বিপরীতে ৪৭০ প্যাকেজে প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে গাড়ো বাদামী, বাদামী, ধূসর ও সাদা রঙের পাউডারজাত পদার্থ রয়েছে যা বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে। তবে এই পাউডারগুলোতে কোনো নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত মাদক উপাদান রয়েছে কি না, তা ল্যাবরেটরি ও রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় হাউস বি/এল-এ ‘প্রিন্টেড পেপার ক্যাটালগ’ ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজে প্রায় ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া গেছে, যা ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। বর্তমানে পুরো বিষয়টি কঠোর তদন্তের আওতায় রয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।