Dhaka ০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

২৭ বছর পর এরশাদ শিকদারের সহযোগী জয়নাল সরদার গ্রেপ্তার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের অন্যতম সহযোগী এবং একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জয়নাল সরদারকে দীর্ঘ ২৭ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জয়নাল সরদারের বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী তিনি দীর্ঘ সময় ধরে নিজের পরিচয় পরিবর্তন করে দেশের বাইরে আত্মগোপনে ছিলেন।

জানা গেছে, প্রায় ২৭ বছর ধরে ভারত ও কুয়েতে অবস্থান করার পর সম্প্রতি তিনি গোপনে দেশে ফিরেছিলেন এবং খুলনায় আত্মগোপন করে ছিলেন। এসআরবি-৬ ও এসআরবি-৮-এর যৌথ একটি দল নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্য এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় এবং গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য তাকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে খুলনার রূপসা থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় কুখ্যাত এরশাদ শিকদারকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছিল এবং এই মামলায় জয়নাল সরদারসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর হত্যার অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত জয়নাল সরদারকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই ঘটনায় মরদেহ গুমের অপরাধেও তাকে পৃথকভাবে আরও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে খুলনায় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে এরশাদ শিকদারের নাম জড়িত ছিল, যার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অসংখ্য অভিযোগ ও মামলা ছিল। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জয়নাল সরদারও অপরাধ জগতের বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন এবং রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি সুকৌশলে গ্রেপ্তার এড়িয়ে পলাতক ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করে সাজা এড়ানোর পর অবশেষে বিশেষ এই অভিযানের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা আদালতের সাজা ও পরোয়ানা কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২৭ বছর পর এরশাদ শিকদারের সহযোগী জয়নাল সরদার গ্রেপ্তার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের অন্যতম সহযোগী এবং একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জয়নাল সরদারকে দীর্ঘ ২৭ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জয়নাল সরদারের বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী তিনি দীর্ঘ সময় ধরে নিজের পরিচয় পরিবর্তন করে দেশের বাইরে আত্মগোপনে ছিলেন।

জানা গেছে, প্রায় ২৭ বছর ধরে ভারত ও কুয়েতে অবস্থান করার পর সম্প্রতি তিনি গোপনে দেশে ফিরেছিলেন এবং খুলনায় আত্মগোপন করে ছিলেন। এসআরবি-৬ ও এসআরবি-৮-এর যৌথ একটি দল নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্য এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় এবং গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য তাকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে খুলনার রূপসা থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় কুখ্যাত এরশাদ শিকদারকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছিল এবং এই মামলায় জয়নাল সরদারসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর হত্যার অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত জয়নাল সরদারকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই ঘটনায় মরদেহ গুমের অপরাধেও তাকে পৃথকভাবে আরও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে খুলনায় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে এরশাদ শিকদারের নাম জড়িত ছিল, যার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অসংখ্য অভিযোগ ও মামলা ছিল। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জয়নাল সরদারও অপরাধ জগতের বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন এবং রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি সুকৌশলে গ্রেপ্তার এড়িয়ে পলাতক ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করে সাজা এড়ানোর পর অবশেষে বিশেষ এই অভিযানের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা আদালতের সাজা ও পরোয়ানা কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।