Dhaka ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকের সরকারি প্রণোদনা পুনর্বহালের দাবি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়নের জন্য সরকারি প্রণোদনা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন দেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো ৬৩ জন নাট্যকর্মী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পূর্বে এই মিলনায়তনে এক শিফটে নাটক মঞ্চায়নের জন্য ভাড়া বাবদ ৫ হাজার টাকা দিতে হতো। কিন্তু গত জানুয়ারি মাস থেকে নাট্যদলগুলোকে একই শিফটের জন্য ১১ হাজার ৫০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নাট্যদলগুলোর ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে এবং মিলনায়তনটিতে নাটক মঞ্চায়নের আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে।

নাট্যকর্মীরা মনে করেন, মহিলা সমিতির মঞ্চে নাট্যচর্চা অব্যাহত রাখতে দ্রুত সরকারি ভর্তুকি পুনর্বহাল করা জরুরি। দেশের নাট্যচর্চার সৃজনশীল বিকাশ ধরে রাখতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে মহিলা সমিতির এই মঞ্চ থেকেই বাংলাদেশে টিকিট কেটে নাটক দেখার সংস্কৃতির সূচনা হয়। নাট্যদলগুলোর কর্মচাঞ্চল্যে মুখর এই সড়ককে ২০০৫ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নাটক সরণি’ নামকরণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের শিল্পচর্চায় এই মঞ্চের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে মিলনায়তন ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় অনেক নাট্যদলই এখন এখানে নাটক মঞ্চায়নে আগ্রহ হারাচ্ছে, কারণ টিকিট বিক্রি করে প্রদর্শনীর খরচ তুলে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে মহিলা সমিতির মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়নের জন্য প্রণোদনা বাবদ সরকারি অনুদান চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। প্রতি মাসে ২০টি প্রদর্শনীর জন্য প্রতিটির বিপরীতে ৬ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে ১১ মাসের জন্য মোট ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে। নাট্যকর্মীরা মনে করেন, দেশের নাট্য-ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে এই প্রণোদনা বহাল রাখা সরকারের দায়িত্ব। বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এমনিতেই খুব সামান্য, সেই সামান্য পৃষ্ঠপোষকতাও বন্ধ হয়ে যাওয়া হতাশাজনক বলে তারা উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকের সরকারি প্রণোদনা পুনর্বহালের দাবি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়নের জন্য সরকারি প্রণোদনা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন দেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো ৬৩ জন নাট্যকর্মী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পূর্বে এই মিলনায়তনে এক শিফটে নাটক মঞ্চায়নের জন্য ভাড়া বাবদ ৫ হাজার টাকা দিতে হতো। কিন্তু গত জানুয়ারি মাস থেকে নাট্যদলগুলোকে একই শিফটের জন্য ১১ হাজার ৫০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নাট্যদলগুলোর ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে এবং মিলনায়তনটিতে নাটক মঞ্চায়নের আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে।

নাট্যকর্মীরা মনে করেন, মহিলা সমিতির মঞ্চে নাট্যচর্চা অব্যাহত রাখতে দ্রুত সরকারি ভর্তুকি পুনর্বহাল করা জরুরি। দেশের নাট্যচর্চার সৃজনশীল বিকাশ ধরে রাখতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে মহিলা সমিতির এই মঞ্চ থেকেই বাংলাদেশে টিকিট কেটে নাটক দেখার সংস্কৃতির সূচনা হয়। নাট্যদলগুলোর কর্মচাঞ্চল্যে মুখর এই সড়ককে ২০০৫ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নাটক সরণি’ নামকরণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের শিল্পচর্চায় এই মঞ্চের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে মিলনায়তন ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় অনেক নাট্যদলই এখন এখানে নাটক মঞ্চায়নে আগ্রহ হারাচ্ছে, কারণ টিকিট বিক্রি করে প্রদর্শনীর খরচ তুলে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে মহিলা সমিতির মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়নের জন্য প্রণোদনা বাবদ সরকারি অনুদান চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। প্রতি মাসে ২০টি প্রদর্শনীর জন্য প্রতিটির বিপরীতে ৬ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে ১১ মাসের জন্য মোট ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে। নাট্যকর্মীরা মনে করেন, দেশের নাট্য-ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে এই প্রণোদনা বহাল রাখা সরকারের দায়িত্ব। বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এমনিতেই খুব সামান্য, সেই সামান্য পৃষ্ঠপোষকতাও বন্ধ হয়ে যাওয়া হতাশাজনক বলে তারা উল্লেখ করেন।