Dhaka ০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধের কারণে ইরানের বহু মানুষের অন্নসংস্থান ব্যাহত: পেজেশকিয়ান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে ইরানের জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় সে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদা ও খাদ্য সংস্থান নিশ্চিত করা ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি পেজেশকিয়ান চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বর্তমানে যে সর্বাত্মক যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছি এবং যে বৈরী সামরিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছি, তার চরম মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। সমাজে এমন অসংখ্য পরিবার রয়েছে, যাদের পক্ষে নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রতিদিনের খাবার বা প্রয়োজনীয় অন্ন জোগানো এখন মারাত্মক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

বিদ্যমান এই টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তা থেকে উত্তরণের তাগিদ দিয়ে পেজেশকিয়ান দেশে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলন্ত ‘যুদ্ধও নয়, আবার শান্তিও নয়’—এমন দ্বিমুখী ও অচলাবস্থাপূর্ণ পরিস্থিতি অবিলম্বে অবসানের জোর দাবি জানান। তেহরানকে যেভাবেই হোক ‘এই অনিশ্চিত অবস্থা থেকে দ্রত বেরিয়ে আসতে হবে’ বলে মন্তব্য করলেও, তাঁর প্রশাসন ঠিক কোন নীতি বা কৌশল অবলম্বন করে এই সংকট সামাল দেবে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কোনো স্পষ্ট রূপরেখা তিনি প্রকাশ করেননি।

উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন প্রশাসন তেহরানের ওপর তাদের সর্বাত্মক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ক্রমাগত কঠোর করে তুলছে, যার অন্যতম পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের কৌশলগত সমুদ্র বন্দরগুলোকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ফলস্বরূপ, দেশটির মূল আয়ের উৎস অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে এসেছে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক খনিজ জ্বালানি সরবরাহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানও কঠোর নজরদারি ও বিধিনিষেধ আরোপ অব্যাহত রেখেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধের কারণে ইরানের বহু মানুষের অন্নসংস্থান ব্যাহত: পেজেশকিয়ান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে ইরানের জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় সে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদা ও খাদ্য সংস্থান নিশ্চিত করা ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি পেজেশকিয়ান চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বর্তমানে যে সর্বাত্মক যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছি এবং যে বৈরী সামরিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছি, তার চরম মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। সমাজে এমন অসংখ্য পরিবার রয়েছে, যাদের পক্ষে নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রতিদিনের খাবার বা প্রয়োজনীয় অন্ন জোগানো এখন মারাত্মক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

বিদ্যমান এই টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তা থেকে উত্তরণের তাগিদ দিয়ে পেজেশকিয়ান দেশে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলন্ত ‘যুদ্ধও নয়, আবার শান্তিও নয়’—এমন দ্বিমুখী ও অচলাবস্থাপূর্ণ পরিস্থিতি অবিলম্বে অবসানের জোর দাবি জানান। তেহরানকে যেভাবেই হোক ‘এই অনিশ্চিত অবস্থা থেকে দ্রত বেরিয়ে আসতে হবে’ বলে মন্তব্য করলেও, তাঁর প্রশাসন ঠিক কোন নীতি বা কৌশল অবলম্বন করে এই সংকট সামাল দেবে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কোনো স্পষ্ট রূপরেখা তিনি প্রকাশ করেননি।

উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন প্রশাসন তেহরানের ওপর তাদের সর্বাত্মক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ক্রমাগত কঠোর করে তুলছে, যার অন্যতম পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের কৌশলগত সমুদ্র বন্দরগুলোকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ফলস্বরূপ, দেশটির মূল আয়ের উৎস অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে এসেছে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক খনিজ জ্বালানি সরবরাহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানও কঠোর নজরদারি ও বিধিনিষেধ আরোপ অব্যাহত রেখেছে।