Dhaka ০২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

(মমেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৮৮ শিশু রোগী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের বিশেষায়িত আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর দুঃখজনক মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের গত সাত মাসে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের লক্ষণ সংবলিত মোট ৮২ জন শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটল। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে নতুন করে আরও ৩০ জন শিশু ভর্তি হওয়ায় বর্তমানে হাসপাতালটির আইসোলেশন ইউনিটে মোট ১৮৮ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান নিশ্চিত করে জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা থেকে গত ১৫ অক্টোবর ১৫ মাস বয়সী এক শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এনে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা শিশুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করলেও শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হামের উপসর্গের পাশাপাশি মস্তিষ্কের আবরণে মারাত্মক প্রদাহ (মেনিনজাইটিস) এবং সেপটিক শকে আক্রান্ত হয়ে শিশুটি মৃত্যুবরণ করে।

হাসপাতালের প্রশাসনিক তথ্য পর্যালোচনায় জানা যায়, চলতি ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ থেকে শুরু করে আজ ২৪ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত হামের বিভিন্ন জটিল উপসর্গ নিয়ে সর্বমোট ৫ হাজার ৪২৭ জন শিশু এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে বিগত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সুস্থতা লাভ করে নিজ গৃহে ফিরে গেছে ১৩ জন শিশু। এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ১৫৭ জন শিশুকে সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র বা ডিচার্জ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালে হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়া শিশুরোগীদের নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমানে তিনটি পৃথক মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা কার্যক্রম পুরোদমে পরিচালিত হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

(মমেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৮৮ শিশু রোগী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের বিশেষায়িত আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর দুঃখজনক মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের গত সাত মাসে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের লক্ষণ সংবলিত মোট ৮২ জন শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটল। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে নতুন করে আরও ৩০ জন শিশু ভর্তি হওয়ায় বর্তমানে হাসপাতালটির আইসোলেশন ইউনিটে মোট ১৮৮ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান নিশ্চিত করে জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা থেকে গত ১৫ অক্টোবর ১৫ মাস বয়সী এক শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এনে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা শিশুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করলেও শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হামের উপসর্গের পাশাপাশি মস্তিষ্কের আবরণে মারাত্মক প্রদাহ (মেনিনজাইটিস) এবং সেপটিক শকে আক্রান্ত হয়ে শিশুটি মৃত্যুবরণ করে।

হাসপাতালের প্রশাসনিক তথ্য পর্যালোচনায় জানা যায়, চলতি ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ থেকে শুরু করে আজ ২৪ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত হামের বিভিন্ন জটিল উপসর্গ নিয়ে সর্বমোট ৫ হাজার ৪২৭ জন শিশু এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে বিগত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সুস্থতা লাভ করে নিজ গৃহে ফিরে গেছে ১৩ জন শিশু। এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ১৫৭ জন শিশুকে সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র বা ডিচার্জ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালে হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়া শিশুরোগীদের নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমানে তিনটি পৃথক মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা কার্যক্রম পুরোদমে পরিচালিত হচ্ছে।