স্বেচ্ছায় রক্তদান ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে এতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, রক্তদানের মতো কার্যক্রমকে কেবল সভা-সেমিনারের গণ্ডিতে আটকে না রেখে গণমানুষের আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রক্তদান কেবল একটি জীবন বাঁচায় না, এটি অত্যন্ত মহৎ একটি মানবিক কাজ এবং পরকালের জন্য সদকায়ে জারিয়া। রক্তদানে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না—এই বার্তাটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যারিয়ার অবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
সন্ধানীর অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী জানান, ১৯৭৮ সালে মাত্র ছয়জন মেডিকেল শিক্ষার্থীর হাত ধরে যে স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তা আজ দেশের চিকিৎসাসেবায় অনন্য অবদান রাখছে। এই মানবিক উদ্যোগকে আরও বেগবান করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম শাকিল ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

























