Dhaka ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের আদেশ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যকে পদত্যাগ করার আহ্বান বা নির্দেশনা প্রদানের পূর্ণ সাংবিধানিক এখতিয়ার ও ক্ষমতা দেশের প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে বলে স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টস্থ নিজ প্রশাসনিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই আইনগত বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

আইনগত দিকটি ব্যাখ্যা করে প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া এবং তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের সার্বিক দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুনির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। আর সেই সাংবিধানিক ক্ষমতার ধারাবাহিকতাতেই যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার আইনি কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যাস্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বাধীন বাংলাদেশের মূল সংবিধানের ৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের পদে বহাল থাকা ও পদত্যাগসংক্রান্ত স্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। সংবিধানের ওই সুনির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যদি স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন অথবা যেকোনো কারণে দায়িত্ব পালন করা বন্ধ করেন, তবে মন্ত্রিসভায় থাকা অন্যান্য সকল মন্ত্রীও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদত্যাগ করেছেন বলেই আইনত গণ্য হবেন।

এর পাশাপাশি সংবিধানিক নিয়মানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যদি মন্ত্রিসভার কোনো সুনির্দিষ্ট সদস্য বা মন্ত্রীকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার মৌখিক বা লিখিত অনুরোধ করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যদি সেই অনুরোধ রক্ষা বা প্রতিপালন না করেন, তবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সরাসরি বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে উক্ত মন্ত্রীকে তাঁর অর্পিত পদ থেকে বরখাস্ত বা অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের আদেশ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যকে পদত্যাগ করার আহ্বান বা নির্দেশনা প্রদানের পূর্ণ সাংবিধানিক এখতিয়ার ও ক্ষমতা দেশের প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে বলে স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টস্থ নিজ প্রশাসনিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই আইনগত বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

আইনগত দিকটি ব্যাখ্যা করে প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া এবং তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের সার্বিক দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুনির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। আর সেই সাংবিধানিক ক্ষমতার ধারাবাহিকতাতেই যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার আইনি কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যাস্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বাধীন বাংলাদেশের মূল সংবিধানের ৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের পদে বহাল থাকা ও পদত্যাগসংক্রান্ত স্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। সংবিধানের ওই সুনির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যদি স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন অথবা যেকোনো কারণে দায়িত্ব পালন করা বন্ধ করেন, তবে মন্ত্রিসভায় থাকা অন্যান্য সকল মন্ত্রীও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদত্যাগ করেছেন বলেই আইনত গণ্য হবেন।

এর পাশাপাশি সংবিধানিক নিয়মানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যদি মন্ত্রিসভার কোনো সুনির্দিষ্ট সদস্য বা মন্ত্রীকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার মৌখিক বা লিখিত অনুরোধ করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যদি সেই অনুরোধ রক্ষা বা প্রতিপালন না করেন, তবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সরাসরি বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে উক্ত মন্ত্রীকে তাঁর অর্পিত পদ থেকে বরখাস্ত বা অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।