যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের অর্থনৈতিক মূল্য তুলে ধরে মার্কিন জনমত নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছে তেহরান। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও সামরিক ব্যয়ের চাপ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনকে লক্ষ্য করে একের পর এক বক্তব্য দিচ্ছেন ইরানি কর্মকর্তারা। যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে সৃষ্ট সংকট তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধিই তেহরানের প্রধান লক্ষ্য।
আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে আধিপত্য বজায় রাখার লড়াইয়ে রয়েছে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি, অন্যদিকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে জ্বালানির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো সামনে আনছেন ইরানি বিশ্লেষক ও কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মার্কিন মূল্যস্ফীতি ও ডিজেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির তথ্য শেয়ার করে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক খোলা চিঠিতে দাবি করেছে, মার্কিন অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তবে এসব বক্তব্য তেহরানের নিজস্ব প্রচারণার অংশ। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ট্রাম্প ইরানের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেবেন, তা নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা রয়েছে।























