Dhaka ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

হেফাজতের নেতৃত্বে ইসলামি দলগুলোর ঐক্যে ভিন্নমত, বিএনপিমুখীতার প্রশ্ন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে কওমি অঙ্গনভিত্তিক সাতটি ইসলামি দলকে নিয়ে শুরু হওয়া নতুন ঐক্য প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও রূপরেখা তুলে ধরেছে অন্যতম প্রধান দুই শরিক দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। ঐক্যের চরিত্র রাজনৈতিক হবে নাকি কেবল ইস্যুভিত্তিক এবং দলগুলো অন্য কোনো বড় রাজনৈতিক বলয়ে থাকবে কি না—তা নিয়ে দল দুটির পক্ষ থেকে প্রক্রিয়ার সুস্পষ্ট অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই ঐক্যের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে পূর্ণাঙ্গ অঙ্গীকারের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি জানান, সাতটি দল এক হওয়ার পরও যদি ভেতর থেকে কেউ দেশের ক্ষমতাসীন বিএনপি কিংবা জামায়াতের দিকে তাকিয়ে থাকে, তবে এই ধরনের ঐক্যের কোনো রাজনৈতিক সুফল আসবে না। তাঁর মতে, ‘এতে ঐক্য হয়ে কোনো লাভ নেই এবং তা কোনো ফলপ্রসূ ফলাফল বয়ে আনবে না। একটি শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে হলে এই সমঝোতায় থাকা দলগুলোর অন্য কোনো রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকা চলবে না।’

বিপরীতে, ঐক্যের ক্ষেত্র ও দলীয় স্বাধীনতাকেন্দ্রিক ভিন্ন প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দীন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ধর্মীয় ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে এই দলগুলো একই প্ল্যাটফর্ম বা ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে পারে।

তবে রাজনৈতিক সমীকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনো জোট, মোর্চা কিংবা নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে প্রতিটি দলের আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে।’ তার মতে, নির্বাচন ও দলীয় রাজনীতির বিষয়টি স্ব স্ব দলের নিজস্ব নীতি ও সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েই ইসলামি দলগুলোর বৃহত্তর এই সমন্বিত অবস্থান গড়ে তোলা সম্ভব।

কওমি ঘরানার এই উদ্যোগ নিয়ে দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের এমন পরস্পরবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট করে তুলেছে যে, হেফাজতের ব্যানারে সাত দলীয় এই ঐক্য চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার আগে রাজনৈতিক স্বকীয়তা ও নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণই এখন সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হেফাজতের নেতৃত্বে ইসলামি দলগুলোর ঐক্যে ভিন্নমত, বিএনপিমুখীতার প্রশ্ন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে কওমি অঙ্গনভিত্তিক সাতটি ইসলামি দলকে নিয়ে শুরু হওয়া নতুন ঐক্য প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও রূপরেখা তুলে ধরেছে অন্যতম প্রধান দুই শরিক দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। ঐক্যের চরিত্র রাজনৈতিক হবে নাকি কেবল ইস্যুভিত্তিক এবং দলগুলো অন্য কোনো বড় রাজনৈতিক বলয়ে থাকবে কি না—তা নিয়ে দল দুটির পক্ষ থেকে প্রক্রিয়ার সুস্পষ্ট অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই ঐক্যের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে পূর্ণাঙ্গ অঙ্গীকারের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি জানান, সাতটি দল এক হওয়ার পরও যদি ভেতর থেকে কেউ দেশের ক্ষমতাসীন বিএনপি কিংবা জামায়াতের দিকে তাকিয়ে থাকে, তবে এই ধরনের ঐক্যের কোনো রাজনৈতিক সুফল আসবে না। তাঁর মতে, ‘এতে ঐক্য হয়ে কোনো লাভ নেই এবং তা কোনো ফলপ্রসূ ফলাফল বয়ে আনবে না। একটি শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে হলে এই সমঝোতায় থাকা দলগুলোর অন্য কোনো রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকা চলবে না।’

বিপরীতে, ঐক্যের ক্ষেত্র ও দলীয় স্বাধীনতাকেন্দ্রিক ভিন্ন প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দীন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ধর্মীয় ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে এই দলগুলো একই প্ল্যাটফর্ম বা ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে পারে।

তবে রাজনৈতিক সমীকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনো জোট, মোর্চা কিংবা নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে প্রতিটি দলের আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে।’ তার মতে, নির্বাচন ও দলীয় রাজনীতির বিষয়টি স্ব স্ব দলের নিজস্ব নীতি ও সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েই ইসলামি দলগুলোর বৃহত্তর এই সমন্বিত অবস্থান গড়ে তোলা সম্ভব।

কওমি ঘরানার এই উদ্যোগ নিয়ে দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের এমন পরস্পরবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট করে তুলেছে যে, হেফাজতের ব্যানারে সাত দলীয় এই ঐক্য চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার আগে রাজনৈতিক স্বকীয়তা ও নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণই এখন সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।