Dhaka ১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ভারতের বিহারের বৈশালী জেলায় গঙ্গা নদীতে মর্মান্তিক নৌকাডুবিতে ১১ জনের সলিল সমাধি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

ভারতের বিহার রাজ্যের বৈশালী জেলায় গঙ্গা নদীতে ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার বা নৌকা উল্টে গিয়ে শিশুসহ অন্তত ১১ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) গভীর রাতে রাজ্যের হাজিপুরের অধীনস্থ রাঘোপুর থানা এলাকার রামপুর শ্যামচন্দ গ্রামের কাছে গঙ্গা নদীতে এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি ঘটে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে গঙ্গার বুকে এখনো জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত নৌকাটিতে ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী सवार ছিলেন। তারা সবাই রাতের বেলা নদী পার হয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। যাত্রাপথে রামপুর শ্যামচন্দ গ্রামের কাছাকাছি পৌঁছালে নদীর মাঝপথে হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীরা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন এবং পরে পুলিশ খবর পেয়ে ডুবুরি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

বৈশালীর জেলা শাসক বর্ষা সিং নিশ্চিত করেছেন যে, গঙ্গা নদী থেকে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে শিশুসহ মোট ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে নৌকায় সুনির্দিষ্টভাবে কতজন যাত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নৌকাটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ছিল নাকি মাঝনদীতে অন্য কোনো জলযানের ধাক্কায় এই বিপর্যয় ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিহার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারগুলোর কাছে মরদেহ হস্তান্তর করবে স্থানীয় প্রশাসন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের বিহারের বৈশালী জেলায় গঙ্গা নদীতে মর্মান্তিক নৌকাডুবিতে ১১ জনের সলিল সমাধি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের বিহার রাজ্যের বৈশালী জেলায় গঙ্গা নদীতে ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার বা নৌকা উল্টে গিয়ে শিশুসহ অন্তত ১১ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) গভীর রাতে রাজ্যের হাজিপুরের অধীনস্থ রাঘোপুর থানা এলাকার রামপুর শ্যামচন্দ গ্রামের কাছে গঙ্গা নদীতে এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি ঘটে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে গঙ্গার বুকে এখনো জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত নৌকাটিতে ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী सवार ছিলেন। তারা সবাই রাতের বেলা নদী পার হয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। যাত্রাপথে রামপুর শ্যামচন্দ গ্রামের কাছাকাছি পৌঁছালে নদীর মাঝপথে হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীরা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন এবং পরে পুলিশ খবর পেয়ে ডুবুরি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

বৈশালীর জেলা শাসক বর্ষা সিং নিশ্চিত করেছেন যে, গঙ্গা নদী থেকে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে শিশুসহ মোট ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে নৌকায় সুনির্দিষ্টভাবে কতজন যাত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নৌকাটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ছিল নাকি মাঝনদীতে অন্য কোনো জলযানের ধাক্কায় এই বিপর্যয় ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিহার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারগুলোর কাছে মরদেহ হস্তান্তর করবে স্থানীয় প্রশাসন।