ট্রানকুইলাইজার দিয়ে অচেতন করে পুনরায় খাঁচায় ফেরানো হয় সিংহ ডেইজিকে; ঘটনার কারণ জানেতে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে মন্ত্রণালয়।
মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে বেরিয়ে যাওয়া সিংহ ডেইজিকে আড়াই ঘণ্টার অভিযানে ট্রানকুইলাইজার ব্যবহার করে বশে আনা হয়। দর্শনার্থীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
ঢাকার মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে বেরিয়ে যাওয়া সিংহটিকে প্রায় আড়াই ঘণ্টার অভিযানের পর বশে আনতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ট্রানকুইলাইজার ব্যবহারের মাধ্যমে সিংহটিকে অচেতন করে নিরাপদে খাঁচায় ফিরিয়ে আনা হয় বলে জানিয়েছেন চিড়িয়াখানার পরিচালক রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
বিকাল পৌনে ৫টার দিকে খাঁচা থেকে বেরিয়ে পড়েছিল সিংহটি, যার নাম ডেইজি। ২০২০ সালে জন্ম নেওয়া ডেইজির সঙ্গী ২০২৩ সালের শেষ দিকে মারা যায়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ডেইজি বের হলেও পুরো এলাকা নেটিং করা ছিল, তাই বাইরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ছিল না।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাঁচার দরজায় তালা না লাগানোর কারণেই সিংহটি বেরিয়ে যেতে পারে। পরিচালক বলেন, “কোথাও কোনো গ্রিল ভাঙা বা ফাঁকা নেই, দরজা দিয়ে বের হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।”

ঘটনার পর চিড়িয়াখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং ভেতরে থাকা দর্শনার্থীদের সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ঘটনাটি তদন্তে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে, যারা তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে।
মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিংহটির শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক এবং পশু চিকিৎসক দল তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। তারা আরও বলেছে, চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ এখন “সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বাভাবিক”।
বর্তমানে জাতীয় চিড়িয়াখানায় মোট পাঁচটি সিংহ রয়েছে, যার মধ্যে ডেইজি একমাত্র সদ্যপ্রাপ্তবয়স্ক শাবক।
















