Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ জন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৩৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় সাঁড়াশি কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ১৪৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একজনকে সামারি ট্রায়ালের আওতায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ১৪৪ জনকে কঠোর মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া অপতৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা, কিশোরদের নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া রোধ করা, সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে শান্তি ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যেই জেলার প্রতিটি থানায় এই নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত একটানা ২৪ ঘণ্টা জেলার বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশের সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন থানায় আটককৃতদের এই সংখ্যার মধ্যে রয়েছে—বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১৫ জন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১১ জন, সেনবাগ থানায় চারজন, চরজব্বর থানায় আটজন, সোনাইমুড়ী থানায় চারজন, চাটখিল থানায় চারজন, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৫১ জন এবং কবিরহাট থানায় ১২ জন। এর মধ্যে হাতিয়া থানায় আটককৃত ৫১ জনের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে একজনকে সামারি ট্রায়ালের আওতায় সরাসরি আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ৫০ জনসহ মোট ১৪৪ জনকে অভিভাবকদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর শর্তে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও জোরালোভাবে বলেন যে, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও ক্রমবর্ধমান অপরাধপ্রবণতা চিরতরে নির্মূল করতে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ, স্বাভাবিক ও নিরাপদ মানসিক বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সর্বস্তরের সচেতন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে জেলা পুলিশ।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ জন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৩৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় সাঁড়াশি কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ১৪৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একজনকে সামারি ট্রায়ালের আওতায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ১৪৪ জনকে কঠোর মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া অপতৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা, কিশোরদের নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া রোধ করা, সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে শান্তি ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যেই জেলার প্রতিটি থানায় এই নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত একটানা ২৪ ঘণ্টা জেলার বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশের সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন থানায় আটককৃতদের এই সংখ্যার মধ্যে রয়েছে—বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১৫ জন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১১ জন, সেনবাগ থানায় চারজন, চরজব্বর থানায় আটজন, সোনাইমুড়ী থানায় চারজন, চাটখিল থানায় চারজন, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৫১ জন এবং কবিরহাট থানায় ১২ জন। এর মধ্যে হাতিয়া থানায় আটককৃত ৫১ জনের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে একজনকে সামারি ট্রায়ালের আওতায় সরাসরি আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ৫০ জনসহ মোট ১৪৪ জনকে অভিভাবকদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর শর্তে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও জোরালোভাবে বলেন যে, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও ক্রমবর্ধমান অপরাধপ্রবণতা চিরতরে নির্মূল করতে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ, স্বাভাবিক ও নিরাপদ মানসিক বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সর্বস্তরের সচেতন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে জেলা পুলিশ।