ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। সিইসির পদত্যাগের দাবিতে সোমবার দিল্লির রাজপথে বিশাল প্রতিবাদ পদযাত্রার আহ্বান জানিয়েছে কংগ্রেস ও তার মিত্র দলগুলো। একই সঙ্গে নির্বাচনী জালিয়াতি বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চেয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা কে সি ভেনুগোপাল এক সংবাদ সম্মেলনে দিল্লির এই মহাসমাবেশে অংশ নিতে ভারতের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান। সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। এর আগে যন্তর মন্তর অভিযানকালে দিল্লি পুলিশের বাধায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ একাধিক সাবেক ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে আটকে রাখার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে দেশে ‘সুপার ইমার্জেন্সি’র শামিল বলে মন্তব্য করেন।
রাহুল গান্ধীর অনুরোধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতেই অবস্থান করছেন এবং তাঁর দলীয় প্রতিনিধিরাও এই কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন। মমতা ছাড়া অন্যান্য বামপন্থী ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদেরও আটক করেছিল পুলিশ। ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে বিরোধী জোটের প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সিইসির পদত্যাগ দাবি করেছেন। শনিবারের ঘটনার পর সোমবারে জোটের যৌথ কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।























