সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার পর দেশটির অন্যান্য বিমানবন্দরে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরী বাদে সৌদির সব বিমানবন্দর তাদের অভিযানের লক্ষ্যবস্তু হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স ও যাত্রীদের সৌদির আকাশসীমা ও বিমানবন্দর এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবারের রকেট ও ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি ও চার সৌদি নাগরিকসহ অন্তত ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। চলতি সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে এটি ছিল তাদের তৃতীয় দফা হামলা। ঘটনার পর বিমানবন্দরটিতে সাময়িকভাবে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং সৌদি আরবে স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাস চালু করা হয়েছে।
হুতিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ না হলে তারা আরও কঠোর জবাব দেবে। এদিকে লোহিত সাগর উপকূলে হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি জোটের বিমান হামলা জোরদার হওয়ার পর এই সংঘাত চরমে পৌঁছায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, তারা সৌদির সঙ্গে যৌথ অভিযানে অংশ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকা সত্ত্বেও রাজধানী রিয়াদে নির্ধারিত বিশ্ব জ্বালানি সম্মেলন স্থগিত করা হয়নি। তবে রিয়াদের পাশাপাশি দাম্মামেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের ঘটনা ঘটায় গোটা সৌদি আরবে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।























