Dhaka ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার বেতাগীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও ৫ গ্রেপ্তার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি গোপন ঝটিকা মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সেখান থেকে পুলিশ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে অন্তত পাঁচ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে কোনো ধরনের প্রকাশ্য মিছিল সংঘটিত হয়নি, বরং নেতাকর্মীরা মিছিল করার পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করার সময় তাদের আটক করা হয়েছিল।

আটককৃত পাঁচ নেতাকর্মীর পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে যে, তাঁরা হলেন মো. জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. ইব্রাহিম রিফাত, মো. হৃদয় হোসেন, মো. রাব্বি এবং মো. আরাফাত খান। গত শুক্রবার বেতাগী পৌরসভার অধীন সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ হাওলাদার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, গত শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় বাস্তবে কোনো ধরনের মিছিল বা জমায়েত হয়নি। তবে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী গোপনে একত্রিত হয়ে ঝটিকা মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন—এমন সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে এবং ঘটনাস্থল থেকে উল্লিখিত পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে পুলিশের এই বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র প্রকাশিত হয়েছে। বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সোহেল আমিন হাওলাদারের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় যে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী রাস্তায় জড়ো হয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ঝটিকা মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছেন। এ সময় তাঁরা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা, সব রাজনৈতিক রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি এবং নির্দিষ্ট পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে মন্তব্য করে বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সোহেল আমিন হাওলাদার গণমাধ্যমকে জানান যে, বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় গত শুক্রবার বেতাগী উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ২০০ জন নেতাকর্মীকে নিয়ে এই ঝটিকা মিছিলের কর্মসূচি সফলভাবে পালন করা হয়। তবে মিছিল শেষে গন্তব্যে ফেরার পথেই পুলিশ অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজন নেতাকর্মীকে ধরে নিয়ে যায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার বেতাগীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও ৫ গ্রেপ্তার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি গোপন ঝটিকা মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সেখান থেকে পুলিশ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে অন্তত পাঁচ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে কোনো ধরনের প্রকাশ্য মিছিল সংঘটিত হয়নি, বরং নেতাকর্মীরা মিছিল করার পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করার সময় তাদের আটক করা হয়েছিল।

আটককৃত পাঁচ নেতাকর্মীর পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে যে, তাঁরা হলেন মো. জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. ইব্রাহিম রিফাত, মো. হৃদয় হোসেন, মো. রাব্বি এবং মো. আরাফাত খান। গত শুক্রবার বেতাগী পৌরসভার অধীন সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ হাওলাদার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, গত শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় বাস্তবে কোনো ধরনের মিছিল বা জমায়েত হয়নি। তবে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী গোপনে একত্রিত হয়ে ঝটিকা মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন—এমন সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে এবং ঘটনাস্থল থেকে উল্লিখিত পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে পুলিশের এই বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র প্রকাশিত হয়েছে। বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সোহেল আমিন হাওলাদারের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় যে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী রাস্তায় জড়ো হয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ঝটিকা মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছেন। এ সময় তাঁরা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা, সব রাজনৈতিক রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি এবং নির্দিষ্ট পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে মন্তব্য করে বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সোহেল আমিন হাওলাদার গণমাধ্যমকে জানান যে, বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় গত শুক্রবার বেতাগী উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ২০০ জন নেতাকর্মীকে নিয়ে এই ঝটিকা মিছিলের কর্মসূচি সফলভাবে পালন করা হয়। তবে মিছিল শেষে গন্তব্যে ফেরার পথেই পুলিশ অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজন নেতাকর্মীকে ধরে নিয়ে যায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।