ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে পুলিশি হেফাজতে আটক থাকার পর অবশেষে মুক্তি লাভ করেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অত্যন্ত তীব্র ক্ষোভ ও তীব্র সমালোচনা উগড়ে দিয়েছেন নবগঠিত তরুণ রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দিপকে। গত রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) মুক্তি পাওয়ার পরপরই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত একটি কড়া বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদির কঠোর সমালোচনা করে দিপকে বিস্ফোরক মন্তব্য করে লিখেছেন যে, “প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি ভারতের জন্য একটি চরম লজ্জা। এর আগে এই দেশ কখনো এত বড় ভীরু ও উৎপীড়ক শাসক দেখেনি।” দিল্লি পুলিশ কর্তৃক তাকে ও তার সঙ্গীদের মুক্তি দেওয়ার ঠিক পরেই এই রাজনৈতিক বার্তাটি সামনে আসে।
এর আগে গত শনিবার সকালে দিল্লিতে একটি বিমান অবতরণ করার পরপরই পুলিশ সুনির্দিষ্ট কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা—অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানাকাকে আকস্মিকভাবে আটক করেছিল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা একটানা পুলিশি হেফাজতে আটকে রাখার পর অবশেষে রবিবার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের সকলকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। আদালতের এই নির্দেশ পাওয়ার পরই তাঁরা কারাগার বা পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্তি পান।
উল্লেখযোগ্য যে, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে দিল্লিতে সিজেপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে পণ্ড করতে দিল্লি পুলিশ এই ধরপাকড় অভিযান চালিয়েছিল। বিমানবন্দর থেকে আটকের পর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয় সিজেপির এই শীর্ষ নেতাদের। কারাগার বা হেফাজত থেকে মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিজিৎ দিপকে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের দমনমূলক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন এবং ভবিষ্যতে তাদের আন্দোলন আরও জোরালো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।























