Dhaka ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জাপানি কোম্পানিতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিশাল সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনার বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং একটি সম্পূর্ণ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সরকার সব ধরনের নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

গত রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জাপানের অন্যতম প্রধান বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাইউকি ওমোতোর নেতৃত্বাধীন এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে মারুবেনি করপোরেশন বাংলাদেশে তাদের বর্তমান বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন নতুন সম্ভাবনাময় শিল্প খাতে অর্থায়নে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বৈঠকের সার্বিক বিষয় নিশ্চিত করে জানান যে, আলোচনায় সার উৎপাদন বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রসার, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্প এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড টয়োটার গাড়ি বাংলাদেশে নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে অত্যন্ত বিষদ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) দ্রুত স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের চলমান অগ্রগতি, পাটশিল্পকে বহুমুখীকরণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিপুল ক্ষেত্রসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে গুরুত্ব পায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান উৎপাদনমুখী শিল্পখাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে জাপানের আধুনিক প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা ও মূলধনি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বিশেষ করে জাহাজ নির্মাণ ও পুনর্ব্যবহার, অটোমোবাইল অ্যাসেম্বলিং, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর মেগা খাতে উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এসব অগ্রাধিকারমূলক খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আরও সহজ করতে সরকার প্রয়োজনীয় আইনগত সংস্কার চালিয়ে যাচ্ছে। পাটশিল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যবাহী পাটকে কেবল প্রাথমিক পণ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে উচ্চমূল্যের বহুমুখী রপ্তানি পণ্যে রূপান্তর করা হচ্ছে। তুলা, ভিসকস ও পলিয়েস্টারের সঙ্গে পাটের আঁশ মিশ্রিত করে নতুন পণ্য তৈরি, উন্নত বীজ উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্প্রসারণে সরকার আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা গ্রহণে উন্মুখ।

বৈঠকে মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসাইউকি ওমোতো বাংলাদেশে তাঁর প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক দূরদর্শিতার কথা স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মানের কাফকো (KAFCO) সার কারখানার আধুনিকায়ন, প্রাকৃতিক গ্যাসের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ডিএপি ও টিএসপি সার উৎপাদনে নতুন জাপানি বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশের উদীয়মান তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান যে, যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘বিজেআইটি’র শত শত বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী বর্তমানে জাপানসহ আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আইটি অফশোরিং খাতে এই সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলে তিনি অভিমত দেন। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সুরক্ষায় আধুনিক ‘স্মল মডিউলার পারমাণবিক চুল্লি’ (SMR) প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহারের বিষয়টিও আলোচনায় উত্থাপিত হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জবাবে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নতুন কোম্পানি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও বিনিয়োগ অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মুনাফা ও মূলধন নিরাপদে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সুনির্দিষ্ট সুযোগ নিশ্চিত করছে সরকার। বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী যেকোনো জাপানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে সরকারি দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। উভয়পক্ষেই বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, সিইপিএ চুক্তির সুফল কাজে লাগানো এবং শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার করার ওপর একমত পোষণ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানি কোম্পানিতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিশাল সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনার বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং একটি সম্পূর্ণ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সরকার সব ধরনের নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

গত রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জাপানের অন্যতম প্রধান বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাইউকি ওমোতোর নেতৃত্বাধীন এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে মারুবেনি করপোরেশন বাংলাদেশে তাদের বর্তমান বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন নতুন সম্ভাবনাময় শিল্প খাতে অর্থায়নে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বৈঠকের সার্বিক বিষয় নিশ্চিত করে জানান যে, আলোচনায় সার উৎপাদন বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রসার, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্প এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড টয়োটার গাড়ি বাংলাদেশে নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে অত্যন্ত বিষদ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) দ্রুত স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের চলমান অগ্রগতি, পাটশিল্পকে বহুমুখীকরণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিপুল ক্ষেত্রসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে গুরুত্ব পায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান উৎপাদনমুখী শিল্পখাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে জাপানের আধুনিক প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা ও মূলধনি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বিশেষ করে জাহাজ নির্মাণ ও পুনর্ব্যবহার, অটোমোবাইল অ্যাসেম্বলিং, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর মেগা খাতে উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এসব অগ্রাধিকারমূলক খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আরও সহজ করতে সরকার প্রয়োজনীয় আইনগত সংস্কার চালিয়ে যাচ্ছে। পাটশিল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যবাহী পাটকে কেবল প্রাথমিক পণ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে উচ্চমূল্যের বহুমুখী রপ্তানি পণ্যে রূপান্তর করা হচ্ছে। তুলা, ভিসকস ও পলিয়েস্টারের সঙ্গে পাটের আঁশ মিশ্রিত করে নতুন পণ্য তৈরি, উন্নত বীজ উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্প্রসারণে সরকার আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা গ্রহণে উন্মুখ।

বৈঠকে মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসাইউকি ওমোতো বাংলাদেশে তাঁর প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক দূরদর্শিতার কথা স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মানের কাফকো (KAFCO) সার কারখানার আধুনিকায়ন, প্রাকৃতিক গ্যাসের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ডিএপি ও টিএসপি সার উৎপাদনে নতুন জাপানি বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশের উদীয়মান তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান যে, যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘বিজেআইটি’র শত শত বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী বর্তমানে জাপানসহ আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আইটি অফশোরিং খাতে এই সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলে তিনি অভিমত দেন। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সুরক্ষায় আধুনিক ‘স্মল মডিউলার পারমাণবিক চুল্লি’ (SMR) প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহারের বিষয়টিও আলোচনায় উত্থাপিত হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জবাবে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নতুন কোম্পানি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও বিনিয়োগ অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মুনাফা ও মূলধন নিরাপদে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সুনির্দিষ্ট সুযোগ নিশ্চিত করছে সরকার। বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী যেকোনো জাপানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে সরকারি দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। উভয়পক্ষেই বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, সিইপিএ চুক্তির সুফল কাজে লাগানো এবং শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার করার ওপর একমত পোষণ করেন।