Dhaka ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

২৯ বছরেও শেষ হয়নি ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ফ্ল্যাট

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জে আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে হাতে নেওয়া ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের কাজ দীর্ঘ ২৯ বছরেও পুরোপুরি শেষ হয়নি। ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ কয়েক দফা সময় ও ব্যয় বাড়ানোর পরও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

প্রকল্পের প্রায় ১৬০ একর জমিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে ১৩ হাজার ৭২০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত চুক্তি বাতিলের বিষয়টি সামনে আসায় প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রায় ৩৮১ একর জমির ওপর পরিকল্পিত এই প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ ২০০১ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্প এলাকায় আবাসিক ও অন্যান্য ব্যবহারের জন্য মোট ১ হাজার ৭৭৪টি প্লট রাখা হয়, যার বেশিরভাগই ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছু প্লটের বরাদ্দ আটকে থাকে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে কাজের মেয়াদ ও ব্যয় উভয়ই বাড়ানো হয়। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে ঝিলমিল আবাসিক এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ নতুন করে শুরু হয়। দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা এবং এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছিল চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের সব অবকাঠামোগত কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।

রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, ঝিলমিল প্রকল্পে বিভিন্ন আকারের সহস্রাধিক আবাসিক প্লট থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও বাণিজ্যিক প্লটের বরাদ্দ কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এর পাশাপাশি ১৩ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের বড় আকারের উদ্যোগটিও দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে, যা প্রকল্পের সার্বিক সফলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২৯ বছরেও শেষ হয়নি ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ফ্ল্যাট

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জে আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে হাতে নেওয়া ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের কাজ দীর্ঘ ২৯ বছরেও পুরোপুরি শেষ হয়নি। ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ কয়েক দফা সময় ও ব্যয় বাড়ানোর পরও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

প্রকল্পের প্রায় ১৬০ একর জমিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে ১৩ হাজার ৭২০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত চুক্তি বাতিলের বিষয়টি সামনে আসায় প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রায় ৩৮১ একর জমির ওপর পরিকল্পিত এই প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ ২০০১ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্প এলাকায় আবাসিক ও অন্যান্য ব্যবহারের জন্য মোট ১ হাজার ৭৭৪টি প্লট রাখা হয়, যার বেশিরভাগই ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছু প্লটের বরাদ্দ আটকে থাকে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে কাজের মেয়াদ ও ব্যয় উভয়ই বাড়ানো হয়। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে ঝিলমিল আবাসিক এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ নতুন করে শুরু হয়। দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা এবং এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছিল চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের সব অবকাঠামোগত কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।

রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, ঝিলমিল প্রকল্পে বিভিন্ন আকারের সহস্রাধিক আবাসিক প্লট থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও বাণিজ্যিক প্লটের বরাদ্দ কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এর পাশাপাশি ১৩ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের বড় আকারের উদ্যোগটিও দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে, যা প্রকল্পের সার্বিক সফলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।