জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের চক্রান্ত বা অনাকাঙ্ক্ষিত অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। খতিবের কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে দেশের তৌহিদি জনতা ঘরে বসে থাকবে না এবং তার কঠোর ও দাঁতভাঙা জবাব দেবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিলে এসব কথা বলেন বক্তারা। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বাংলা ট্রিবিউন’-এর এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে জমিয়তের নেতারা চার দফা সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত নেতাকর্মীদের দ্রুত বিচার কার্যকর করা, সারাদেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা, সাধারণ জনগণের জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য সাধারণ মানুষের সহনশীল পর্যায়ে নির্ধারণ করা।
সমাবেশে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে বাংলাদেশের আইনি প্রক্রিয়ার কাছে হস্তান্তরের জোরালো দাবি জানান। প্রতিবেশী দেশের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাকে দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আমরা শুধু কূটনৈতিক দাওয়াত খাওয়ার জন্য ভারতে যাব না; অপরাধীদের বিচার সুনিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার।”
বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে দেশের ইসলামপ্রিয় জনতার আস্থার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, তাঁর সুরক্ষায় সারাদেশে তৌহিদি জনতা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।
মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে এবং মুফতি নুর মোহাম্মদ কাসেমী ও মাওলানা বিন ইয়ামিনের যৌথ পরিচালনায় উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পরিচালিত হয়। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জয়নুল আবেদীন, মাওলানা রাশেদ ইলিয়াস, প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম, মাওলানা তাজুল ইসলাম আশরাফী, মুফতি জাবের কাসেমী, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারুক, মাওলানা বোরহান উদ্দিন, মাওলানা জুবায়ের আহমদ, মাওলানা মুবাশ্বির হোসাইন, মাওলানা গাজী আহমদ আবদুল্লাহ মুসা, মাওলানা মাঈনুদ্দিন মানিক, ছাত্র জমিয়তের সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী এবং সাআদ বিন জাকিরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।






















