ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম সামনে রেখে উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাণহানি কমানোর ক্ষেত্রে সাফল্য থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে এখনো কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে। দুর্যোগের সময় ত্রাণ সহায়তার সরকারি বরাদ্দ থাকলেও দুর্যোগ আঘাত হানার আগের প্রস্তুতিমূলক কাজের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তাৎক্ষণিক ব্যয়ের তহবিল সীমিত।
দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পর্যায় থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। এসব কমিটির মূল কাজ হলো ঝুঁকি মূল্যায়ন, সতর্কবার্তা প্রচার এবং জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া। তবে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও কারিগরি সহায়তার অভাবে স্থানীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত তহবিলের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কক্সবাজারের মতো দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের তহবিলে পরীক্ষামূলকভাবে আপৎকালীন অর্থায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য আগাম নগদ সহায়তা দেওয়া হলে তা দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


























