Dhaka ০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ ও সংরক্ষিত আসনের নবনির্বাচিত ২ সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ

ভারতে মার্বেল বর্জ্যের ভাগাড় রূপ নিয়েছে পর্যটনকেন্দ্রে, বাড়ছে স্বাস্থ্য ও পরিবেশঝুঁকি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:১৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

ভারতের রাজস্থানের কিশানগড়ে মার্বেলশিল্পের একটি বিশাল বর্জ্য ফেলার স্থান এখন জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাদা বর্জ্যের স্তূপ ও নীল পানির কৃত্রিম জলাশয়ের কারণে স্থানটি দেখতে অনেকটা তুষারাবৃত কাশ্মীরের মতো মনে হওয়ায় প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী সেখানে ভিড় করছেন। স্থানীয়ভাবে এটি ‘স্নো ইয়ার্ড’ নামে পরিচিত।

প্রায় ৩০০ একর এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা এশিয়ার বৃহত্তম এই মার্বেল বর্জ্যের ভাগাড়ে কোনো প্রবেশমূল্য না থাকায় নবদম্পতিরা ছবি তুলতে এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা ভিডিও বানাতে নিয়মিত জড়ো হচ্ছেন। এমনকি চলচ্চিত্র ও গানের দৃশ্য ধারণের জন্যও জায়গাটি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই কৃত্রিম সৌন্দর্যের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশদূষণ।

মার্বেল বর্জ্য থেকে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়া সাদা ধুলার কারণে সংলগ্ন গ্রামগুলোর বাসিন্দারা ফুসফুসের সংক্রমণ, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি এলাকার মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানির গুণগত মানও মারাত্মকভাবে বিনষ্ট হচ্ছে।

ভাগাড়ের অদূরে বসবাসকারী গ্রামবাসী জানান, বাতাসে উড়ে আসা মিহি ধুলা ফসলি জমি নষ্ট করে দিচ্ছে এবং বয়োবৃদ্ধদের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটাচ্ছে। দর্শনার্থীদের অনেকেই স্থানটির বাহ্যিক রূপ দেখে আকৃষ্ট হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন রয়েছেন।

জনপ্রিয়

প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা, ডেসকোর জরুরি নির্দেশনা

ভারতে মার্বেল বর্জ্যের ভাগাড় রূপ নিয়েছে পর্যটনকেন্দ্রে, বাড়ছে স্বাস্থ্য ও পরিবেশঝুঁকি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:১৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ভারতের রাজস্থানের কিশানগড়ে মার্বেলশিল্পের একটি বিশাল বর্জ্য ফেলার স্থান এখন জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাদা বর্জ্যের স্তূপ ও নীল পানির কৃত্রিম জলাশয়ের কারণে স্থানটি দেখতে অনেকটা তুষারাবৃত কাশ্মীরের মতো মনে হওয়ায় প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী সেখানে ভিড় করছেন। স্থানীয়ভাবে এটি ‘স্নো ইয়ার্ড’ নামে পরিচিত।

প্রায় ৩০০ একর এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা এশিয়ার বৃহত্তম এই মার্বেল বর্জ্যের ভাগাড়ে কোনো প্রবেশমূল্য না থাকায় নবদম্পতিরা ছবি তুলতে এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা ভিডিও বানাতে নিয়মিত জড়ো হচ্ছেন। এমনকি চলচ্চিত্র ও গানের দৃশ্য ধারণের জন্যও জায়গাটি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই কৃত্রিম সৌন্দর্যের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশদূষণ।

মার্বেল বর্জ্য থেকে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়া সাদা ধুলার কারণে সংলগ্ন গ্রামগুলোর বাসিন্দারা ফুসফুসের সংক্রমণ, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি এলাকার মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানির গুণগত মানও মারাত্মকভাবে বিনষ্ট হচ্ছে।

ভাগাড়ের অদূরে বসবাসকারী গ্রামবাসী জানান, বাতাসে উড়ে আসা মিহি ধুলা ফসলি জমি নষ্ট করে দিচ্ছে এবং বয়োবৃদ্ধদের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটাচ্ছে। দর্শনার্থীদের অনেকেই স্থানটির বাহ্যিক রূপ দেখে আকৃষ্ট হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন রয়েছেন।