ইরানি সামরিক বাহিনীর কাছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনসহ নানা ধরনের নতুন রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক সমরাস্ত্রের একটি বিশাল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন যে, চলমান সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইরান অত্যন্ত মূল্যবান সামরিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং শত্রুর দুর্বলতাগুলো সফলভাবে চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় নিজেদের আত্মবিশ্বাস বহুলাংশে বাড়িয়ে তুলেছে।
জেনারেল আকরামি-নিয়া আরও জানান, যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও তাদের সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত ছিল এবং বর্তমানে তা আরও পূর্ণোদ্যমে চলছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎপাদিত এই সমরাস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ড্রোন ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের মতো কিছু অত্যন্ত গোপনীয় কৌশলগত সরঞ্জাম উপযুক্ত ও সঠিক সময়ে প্রকাশ করা হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের এই সামরিক প্রস্তুতি ও সমরাস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণের বিষয়টি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। যদিও বর্তমানে দু’পক্ষের মধ্যে প্রত্যক্ষ সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে, তবুও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় তেহরান তাদের সামরিক সক্ষমতা চূড়ান্ত পর্যায়ে বজায় রেখেছে।























