Dhaka ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

একদিনের সফর: ঢাকার আশেপাশে নদী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

কোলাহলপূর্ণ ঢাকার শহর ছেড়ে খুব বেশি দূরে না গিয়েও একদিনের মধ্যে মনোরম নদীভ্রমণের আনন্দ উপভোগ করতে চাইলে বিরুলিয়া, সাভার, সিংগাইর কিংবা রূপনগরের নদীপাড় হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। শীতের আগ পর্যন্ত তুরাগ, বংশী ও কালীগঙ্গা নদীর বিস্তৃতি এবং বর্ষা ও শরতের পানিতে প্লাবিত নিচু খোলা মাঠ (চক) এক অপরূপ জলাভূমির রূপ নেয়, যা ভ্রমণকারীদের সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দেয়।


​তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত বিরুলিয়ায় ছোট-বড় দল অনুযায়ী খোলা কিংবা ছইওয়ালা নৌকা ভাড়া করে ঘুরে আসা যায়। সেখানে অবস্থিত ‘দ্য রিভার এইজ’ রেস্টুরেন্টের নিচ থেকেও বড় নৌকায় নদী ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। মিরপুর-১ বা ১০, গাবতলী-আমীনবাজার কিংবা উত্তরা ও দিয়াবাড়ি সড়ক ব্যবহার করে খুব সহজেই স্থানীয় বাস বা অটোরিকশায় বিরুলিয়া সেতু ও নদীর ঘাটে পৌঁছানো সম্ভব।
​অন্যদিকে সাভারের ভাগলপুর এলাকায় এনাম মেডিকেল পার হয়ে পাওয়া যায় বিখ্যাত ‘মনু মিয়ার ঘাট’। এই ঘাটে রোদ বা হালকা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ছাদওয়ালা কিংবা চারপাশের প্রকৃতি উপভোগে খোলা নৌকা বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে। আর যারা পুরো একদিন নদীর সান্নিধ্যে কাটাতে চান, তারা সাভারের বংশী নদীর এলাকা বেছে নিতে পারেন। সেখানে সকালে নদীর ঘাটে নাস্তা, নৌকায় ঘুরে বেড়ানো এবং দুপুরে নদীর ধারে মধ্যাহ্নভোজ করার পরিকল্পনা সহজেই বাস্তবায়িত করা যায়।


​সাভার থেকে কিছুটা ভেতরে রূপনগরে রিকশায় প্রায় ৩০ মিনিটে যাওয়া যায়, যেখানে বর্ষায় জমিতে পানি জমে সুন্দর জলভূমির পরিবেশ তৈরি হয়। এছাড়া গাবতলী বা আমীনবাজার হয়ে মানিকগঞ্জগামী বাসে সিংগাইর ব্রিজের নিচে নেমেও প্লাবিত চকের পানিতে নিরিবিলি নৌভ্রমণ করা যায়। ​এসব এলাকায় নৌকার নির্ধারিত কোনো নির্দিষ্ট ভাড়া না থাকলেও বোটের ধরন, যাত্রীসংখ্যা, সময় ও দূরত্বের ওপর নির্ভর করে সাধারণত ঘণ্টা প্রতি প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে নৌকা ভাড়া পাওয়া যায়। শরতে নদীর পাড়ের কাশফুল দেখা কিংবা উপযুক্ত আলো ও অভিজ্ঞ মাঝির উপস্থিতিতে রাতের বেলা চাঁদনি রাতে স্বল্প সময়ের নৌভ্রমণ আলাদা আবেদন তৈরি করে।


​তবে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বৈরী আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সময় নৌকায় ওঠা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। সঙ্গে পানিরোধী ব্যাগ, বাড়তি পোশাক, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানি ও ছাতা রাখা উচিত। একই সাথে অতিরিক্ত যাত্রী বহন কিংবা কিনারায় বেশি ঝুঁকে ছবি তোলা এড়িয়ে চলতে হবে। সর্বোপরি, নদীর পরিবেশ নির্মল রাখতে খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিক নদীতে না ফেলে সাথে রাখা ব্যাগে জমিয়ে তীরে ফিরে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা দরকার।

জনপ্রিয়

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে দুই বাড়িতে অভিযান, ১৯৪ বস্তা সার জব্দ

একদিনের সফর: ঢাকার আশেপাশে নদী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোলাহলপূর্ণ ঢাকার শহর ছেড়ে খুব বেশি দূরে না গিয়েও একদিনের মধ্যে মনোরম নদীভ্রমণের আনন্দ উপভোগ করতে চাইলে বিরুলিয়া, সাভার, সিংগাইর কিংবা রূপনগরের নদীপাড় হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। শীতের আগ পর্যন্ত তুরাগ, বংশী ও কালীগঙ্গা নদীর বিস্তৃতি এবং বর্ষা ও শরতের পানিতে প্লাবিত নিচু খোলা মাঠ (চক) এক অপরূপ জলাভূমির রূপ নেয়, যা ভ্রমণকারীদের সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দেয়।


​তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত বিরুলিয়ায় ছোট-বড় দল অনুযায়ী খোলা কিংবা ছইওয়ালা নৌকা ভাড়া করে ঘুরে আসা যায়। সেখানে অবস্থিত ‘দ্য রিভার এইজ’ রেস্টুরেন্টের নিচ থেকেও বড় নৌকায় নদী ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। মিরপুর-১ বা ১০, গাবতলী-আমীনবাজার কিংবা উত্তরা ও দিয়াবাড়ি সড়ক ব্যবহার করে খুব সহজেই স্থানীয় বাস বা অটোরিকশায় বিরুলিয়া সেতু ও নদীর ঘাটে পৌঁছানো সম্ভব।
​অন্যদিকে সাভারের ভাগলপুর এলাকায় এনাম মেডিকেল পার হয়ে পাওয়া যায় বিখ্যাত ‘মনু মিয়ার ঘাট’। এই ঘাটে রোদ বা হালকা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ছাদওয়ালা কিংবা চারপাশের প্রকৃতি উপভোগে খোলা নৌকা বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে। আর যারা পুরো একদিন নদীর সান্নিধ্যে কাটাতে চান, তারা সাভারের বংশী নদীর এলাকা বেছে নিতে পারেন। সেখানে সকালে নদীর ঘাটে নাস্তা, নৌকায় ঘুরে বেড়ানো এবং দুপুরে নদীর ধারে মধ্যাহ্নভোজ করার পরিকল্পনা সহজেই বাস্তবায়িত করা যায়।


​সাভার থেকে কিছুটা ভেতরে রূপনগরে রিকশায় প্রায় ৩০ মিনিটে যাওয়া যায়, যেখানে বর্ষায় জমিতে পানি জমে সুন্দর জলভূমির পরিবেশ তৈরি হয়। এছাড়া গাবতলী বা আমীনবাজার হয়ে মানিকগঞ্জগামী বাসে সিংগাইর ব্রিজের নিচে নেমেও প্লাবিত চকের পানিতে নিরিবিলি নৌভ্রমণ করা যায়। ​এসব এলাকায় নৌকার নির্ধারিত কোনো নির্দিষ্ট ভাড়া না থাকলেও বোটের ধরন, যাত্রীসংখ্যা, সময় ও দূরত্বের ওপর নির্ভর করে সাধারণত ঘণ্টা প্রতি প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে নৌকা ভাড়া পাওয়া যায়। শরতে নদীর পাড়ের কাশফুল দেখা কিংবা উপযুক্ত আলো ও অভিজ্ঞ মাঝির উপস্থিতিতে রাতের বেলা চাঁদনি রাতে স্বল্প সময়ের নৌভ্রমণ আলাদা আবেদন তৈরি করে।


​তবে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বৈরী আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সময় নৌকায় ওঠা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। সঙ্গে পানিরোধী ব্যাগ, বাড়তি পোশাক, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানি ও ছাতা রাখা উচিত। একই সাথে অতিরিক্ত যাত্রী বহন কিংবা কিনারায় বেশি ঝুঁকে ছবি তোলা এড়িয়ে চলতে হবে। সর্বোপরি, নদীর পরিবেশ নির্মল রাখতে খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিক নদীতে না ফেলে সাথে রাখা ব্যাগে জমিয়ে তীরে ফিরে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা দরকার।