কানাডার ফরাসিভাষী প্রদেশ কুইবেকের প্রাদেশিক নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী দল কুইবেকোইস পার্টি (পিকিউ)। এই জয়ের ফলে দলটির নেতা পল সাঁ-পিয়ের প্লামন্দোঁ প্রদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন, যা কানাডা থেকে কুইবেকের স্বাধীনতার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় প্লামন্দোঁ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, প্রথম মেয়াদেই তিনি কুইবেকের স্বাধীনতার প্রশ্নে তৃতীয়বারের মতো গণভোটের আয়োজন করবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার আগে এই ভোট অনুষ্ঠিত হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।
কুইবেক ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ১২৭টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬৪টি আসন কুইবেকোইস পার্টি পেয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দলটিকে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে হবে। এই জয়ের মাধ্যমে কুইবেকে দীর্ঘ আট বছর ক্ষমতায় থাকা কোয়ালিশন অ্যাভেনির কুইবেক (সিএকিউ) সরকারের পতন ঘটল, যারা মূলত জাতীয়তাবাদী হলেও স্বাধীনতার পক্ষে ছিল না。
ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেলার মতে, এই জয় কুইবেকের বহুদলীয় রাজনৈতিক সমীকরণের ফল, স্বাধীনতার পক্ষে জনসমর্থনের বড় কোনো জোয়ারের প্রতিফলন নয়। বর্তমানে সেখানে স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি। এর আগে ১৯৮০ ও ১৯৯৫ সালে কুইবেকে স্বাধীনতার দাবিতে দুটি গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও দুবারই ভোটাররা কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।























