Dhaka ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এলডিসি উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যে ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল থাকবে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২০:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যের বাজারে ৯২ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা বহাল থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। রোববার (৪ অক্টোবর, ২০২৬) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এ তিনি এ কথা জানান।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যের ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’-এর আওতায় বাংলাদেশ বর্তমানে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। এলডিসি উত্তরণের পরও প্রথম তিন বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে এই সুবিধা পুরোপুরি অব্যাহত থাকবে। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যের দীর্ঘমেয়াদি টেকসই অগ্রগতির জন্য এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সারাহ কুক তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন কেবল চিরাচরিত উন্নয়ন সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি গতিশীল ‘আধুনিক কৌশলগত অংশীদারত্বে’ রূপ নিয়েছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবিকাশমান ভূমিকারই প্রমাণ। বাংলাদেশ যাতে অত্যন্ত নির্বিঘ্নে এবং টেকসই উপায়ে এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের সর্বাত্মক সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি করা এবং একটি উচ্চমানের কার্বন বাজার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও মানবিক সংকট নিয়েও কথা বলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলাকে যুক্তরাজ্য নিন্দা জানালেও, সেই অজুহাতে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চালানো নৃশংস কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই ন্যায্যতা দেওয়া যায় না, কারণ সেখানে অগণিত সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বমূলক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সারাহ কুক বলেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এলডিসি উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যে ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল থাকবে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২০:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যের বাজারে ৯২ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা বহাল থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। রোববার (৪ অক্টোবর, ২০২৬) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এ তিনি এ কথা জানান।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যের ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’-এর আওতায় বাংলাদেশ বর্তমানে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। এলডিসি উত্তরণের পরও প্রথম তিন বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে এই সুবিধা পুরোপুরি অব্যাহত থাকবে। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যের দীর্ঘমেয়াদি টেকসই অগ্রগতির জন্য এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সারাহ কুক তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন কেবল চিরাচরিত উন্নয়ন সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি গতিশীল ‘আধুনিক কৌশলগত অংশীদারত্বে’ রূপ নিয়েছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবিকাশমান ভূমিকারই প্রমাণ। বাংলাদেশ যাতে অত্যন্ত নির্বিঘ্নে এবং টেকসই উপায়ে এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের সর্বাত্মক সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি করা এবং একটি উচ্চমানের কার্বন বাজার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও মানবিক সংকট নিয়েও কথা বলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলাকে যুক্তরাজ্য নিন্দা জানালেও, সেই অজুহাতে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চালানো নৃশংস কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই ন্যায্যতা দেওয়া যায় না, কারণ সেখানে অগণিত সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বমূলক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সারাহ কুক বলেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান।