জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের কিয়েভ সফরের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানীতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার সকালে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পিভনিচনি (উত্তর) সেতুতে এই হামলা চালানো হয়। গত চার দিন ধরে রুশ সেনারা কিয়েভের প্রধান সেতুগুলোতে ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।
রাশিয়ার হামলার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন জানাতে আকস্মিক সফরে রবিবার কিয়েভে অবস্থান করছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর।
হামলার ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। পরে তারা যুদ্ধে নিহত ইউক্রেনের সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
সফরের বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ লিখেছেন, “ইউক্রেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ পার করছে। এ কারণেই আমি আজ এই বার্তা নিয়ে কিয়েভে এসেছি যে, আপনারা আমাদের ওপর ভরসা রাখতে পারেন।”
হামলার পর রুশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, তারা কিয়েভসহ ইউক্রেনের অন্যান্য অঞ্চলে হামলা আরও তীব্রতর করবে। এর আগে, ইউক্রেনের সৈন্যদের ব্যবহৃত দুটি সেতুতে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছিল তারা।
রবিবার যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেটির কিছু ভিডিও বিবিসি যাচাই করেছে। ভিডিওতে সেতুর ওপর একটি ড্রোন আছড়ে পড়ার পর সেটি বিস্ফোরিত হয় এবং সেতুর ওপর থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিও এবং ছবিতে সেতুর ওপরে সড়কের মাঝখানে একটি বড় ধরনের গর্ত দেখা যাচ্ছে, যা বোমা বিস্ফোরণের ফলে তৈরি হয়েছে।
এদিকে, দনিপ্রোতে একটি যোগাযোগ কেন্দ্রেও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে কমপক্ষে ছয়জন আহত হন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, গত রাতে রাশিয়া ৫২টি জেট-চালিত ড্রোনসহ ১৩৫টি ড্রোন পাঠিয়েছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সেগুলোর মধ্যে ১২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।























