Dhaka ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এক দশকেও শেষ হয়নি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে পাঁচ বছরের আবাসন প্রকল্প

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ২০১৭ সালে শুরু হওয়া অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এক দশকেও শেষ হয়নি। সাড়ে পাঁচ বছরে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের মেয়াদ তিন দফা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনার নির্মাণকাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে, যা আবাসন সংকটের চাপ কমাতে পারছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ৩৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এই ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এর আওতায় অপরাজিতা হল, বিজয়-৭১ হল, ১০ তলা শিক্ষক কোয়ার্টার, ২০ তলা একাডেমিক ভবন, ড্রেন ও শেখ রাসেল মডেল স্কুলসহ বেশ কিছু স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তীতে নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় ২০১৯ সালে প্রকল্পটির জন্য ৫১০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু করোনা মহামারি, নির্মাণকাজে ধীরগতি, একজন শিক্ষার্থী ও দুই শ্রমিকের মৃত্যুর মতো বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি। প্রথম দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় দফায় ২০২৫ সালের জুন এবং সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

বর্তমানে প্রকল্পের আওতায় শেখ রাসেল মডেল স্কুল ও কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন ও শিক্ষক কোয়ার্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনার কাজ এখনো অসম্পূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক ওবায়দুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজয়-৭১ আবাসিক হলের প্রায় ৯৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। পরিচালক ওবায়দুল ইসলাম জানিয়েছেন, হলটির কিছু কাজ ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন বাকি রয়েছে। একটি পাম্প স্থাপনের বিষয়টি মূল প্রাক্কলনে না থাকায় সংশোধিত অনুমোদনের প্রয়োজন হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে হলটি বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত শেরেবাংলা ফজলুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের একাংশকে নির্মাণাধীন বিজয়-৭১ হলের আংশিক অংশে স্থানান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এক দশকেও শেষ হয়নি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে পাঁচ বছরের আবাসন প্রকল্প

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ২০১৭ সালে শুরু হওয়া অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এক দশকেও শেষ হয়নি। সাড়ে পাঁচ বছরে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের মেয়াদ তিন দফা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনার নির্মাণকাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে, যা আবাসন সংকটের চাপ কমাতে পারছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ৩৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এই ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এর আওতায় অপরাজিতা হল, বিজয়-৭১ হল, ১০ তলা শিক্ষক কোয়ার্টার, ২০ তলা একাডেমিক ভবন, ড্রেন ও শেখ রাসেল মডেল স্কুলসহ বেশ কিছু স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তীতে নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় ২০১৯ সালে প্রকল্পটির জন্য ৫১০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু করোনা মহামারি, নির্মাণকাজে ধীরগতি, একজন শিক্ষার্থী ও দুই শ্রমিকের মৃত্যুর মতো বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি। প্রথম দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় দফায় ২০২৫ সালের জুন এবং সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

বর্তমানে প্রকল্পের আওতায় শেখ রাসেল মডেল স্কুল ও কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন ও শিক্ষক কোয়ার্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনার কাজ এখনো অসম্পূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক ওবায়দুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজয়-৭১ আবাসিক হলের প্রায় ৯৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। পরিচালক ওবায়দুল ইসলাম জানিয়েছেন, হলটির কিছু কাজ ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন বাকি রয়েছে। একটি পাম্প স্থাপনের বিষয়টি মূল প্রাক্কলনে না থাকায় সংশোধিত অনুমোদনের প্রয়োজন হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে হলটি বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত শেরেবাংলা ফজলুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের একাংশকে নির্মাণাধীন বিজয়-৭১ হলের আংশিক অংশে স্থানান্তর করা হয়েছে।