কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় শ্রেণিকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে আটক এক স্কুল শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে সসম্মানে ছেড়ে দিয়ে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শ্রেণিকক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ওই শিক্ষকের আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভের পর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সংক্ষুব্ধ হন এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে অবিলম্বে শিক্ষককে সসম্মানে মুক্তি দিয়ে নিরাপদে তার বাসভবনে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের পর পুলিশ দ্রুত তা বাস্তবায়ন করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন সমাজে মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে এবং প্রতিটি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত সম্পূর্ণ তার নিজস্ব। কারও মতের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবুও অন্যের মতপ্রকাশের অধিকারকে যথাযথ সম্মান করা উচিত। ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি এই সম্মান প্রদর্শনই মূলত প্রকৃত গণতন্ত্রের শক্তি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে, ইতিবাচক আচরণ, পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের সংস্কৃতিই একটি শক্তিশালী ও মানবিক সমাজ গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।






















