আকাশে ৩৪ হাজার ফুট উঁচুতে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমানের ককপিটের ভেতর দুই পাইলটের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিমানের ভেতর চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের মধ্য থেকে অন্য পাইলটদের সহায়তায় বিমানটিকে সৌদির তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপده জরুরি অবতরণ করানো হয়।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুবাই থেকে ইসরাইলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন। ওড়ার কিছু সময় পরই বিমানের ককপিটের ভেতরে দুই পাইলটের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ওই দুই পাইলটই ওমানের নাগরিক।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক পাইলট অপরজনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ককপিটের ভেতরে ধস্তাধস্তির সেই আওয়াজ ও চিৎকার যাত্রীদের কানে পৌঁছালে এক যাত্রী ককপিটের দরজা খুলে দেখেন, এক পাইলট মেঝেতে পড়ে আছেন এবং চারপাশ রক্তে ভেসে যাচ্ছে। দুই পাইলটের এই মারামারির মধ্যেই হামলাকারী পাইলট বিমানটিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিলেন এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ককপিটের ভেতর থেকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে বিমান ছিনতাই বা অবৈধ হস্তক্ষেপের সংকেত পাঠানো হয়। তবে সৌভাগ্যবশত, বিমানের যাত্রীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন পেশাদার পাইলট উপস্থিত ছিলেন। তারা দ্রুত ককপিটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং বিমানটিকে নিরাপদে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করান।























