ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবাগত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহজাহান কবির বকুলের বিরুদ্ধে এমপিও কাগজপত্রে জালিয়াতি, জালিয়াতির মাধ্যমে টাইম স্কেল গ্রহণ এবং অবৈধভাবে দায়িত্ব নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রতিকার চেয়ে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের এক সিনিয়র শিক্ষক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ১৯৯৫ সালে হরিপুরের একটি বিদ্যালয়ে যোগদানের পর ১৯৯৭ সালে এমপিওভুক্ত হন। পরবর্তীতে এমপিও নীতিমালার শর্ত লঙ্ঘন করে প্রথম এমপিও শিটে জালিয়াতি করে বিএড স্কেল কোড বসান এবং এর মাধ্যমে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাইম স্কেল ও উচ্চতর স্কেল সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে পরিচালনা পর্ষদের কোনো বৈধ রেজুলেশন বা সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামত ছাড়াই একক ক্ষমতার জোরে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী তিন সদস্যের সম্মতি বাধ্যতামূলক থাকলেও তা মানা হয়নি।
এই ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত আনা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।






















