Dhaka ০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইইউ রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ: সম্পর্ক গভীর করার আহ্বান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৪২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে গতকাল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান।

সাক্ষাৎকালে ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এর জবাবে রাষ্ট্রপতি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অংশীদারত্ব বর্তমানে বহুমাত্রিক রূপ লাভ করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইইউর সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অভিবাসন বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি দক্ষ জনশক্তির জন্য বৈধ অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতে এবং আরও বেশি ইইউ সদস্য দেশকে ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতরা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সুশাসন, জলবায়ু কার্যক্রম ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও বিচার বিভাগীয় সংস্কারেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তারা।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানো এবং মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ইইউর আরও জোরালো ভূমিকা কামনা করেন।

এছাড়াও, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ রূপান্তর, শিক্ষা, সামুদ্রিক বিষয়, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনা নিয়েও এই সাক্ষাতে মতবিনিময় হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইইউ রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ: সম্পর্ক গভীর করার আহ্বান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৪২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে গতকাল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান।

সাক্ষাৎকালে ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এর জবাবে রাষ্ট্রপতি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অংশীদারত্ব বর্তমানে বহুমাত্রিক রূপ লাভ করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইইউর সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অভিবাসন বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি দক্ষ জনশক্তির জন্য বৈধ অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতে এবং আরও বেশি ইইউ সদস্য দেশকে ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতরা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সুশাসন, জলবায়ু কার্যক্রম ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও বিচার বিভাগীয় সংস্কারেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তারা।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানো এবং মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ইইউর আরও জোরালো ভূমিকা কামনা করেন।

এছাড়াও, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ রূপান্তর, শিক্ষা, সামুদ্রিক বিষয়, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনা নিয়েও এই সাক্ষাতে মতবিনিময় হয়।