Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গুজরাটের ভারুচ থেকে বাংলাদেশে আসছে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

প্রতিবছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রূপালি ইলিশের বিশেষ চাহিদা তৈরি হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের পদ্মা ও মেঘনার সুস্বাদু ইলিশ সেখানকার ভোজনরসিকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। এই চাহিদা মেটাতে প্রতি মৌসুমে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে কয়েক হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করে থাকে। তবে চলতি বছর দুই দেশের ইলিশ বাণিজ্যে এক ব্যতিক্রমী ও নজিরবিহীন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

বিগত দুই মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ যাওয়ার পরিবর্তে উল্টো ভারত থেকে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। ভারতের রপ্তানিকারকদের প্রত্যাশা, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, গত বছর বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির ছাড়পত্র দিলেও চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নতুন ঘোষণা আসেনি। ফলে বাংলাদেশে উৎপাদিত ইলিশের ভারতযাত্রা আপাতত বন্ধ রয়েছে।

ভারত থেকে ইলিশ আমদানির নেপথ্যে প্রধানত ভারতের গুজরাট রাজ্যের ভারুচ অঞ্চলের রেকর্ড পরিমাণ ইলিশ উৎপাদন কাজ করছে। গুজরাট ফিশারিজ কমিশনার বিজয় খারাডি জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে গুজরাটে ১৪ হাজার ৫৮৮ টন ইলিশ আহরিত হয়েছে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সমুদ্রের পাশাপাশি সেখানকার নর্মদা নদীতেও মাছের উপস্থিতি অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছেন।

ভারতের এই ইলিশ বাংলাদেশে আসার পেছনে ভোক্তাদের আকর্ষণ ও ডিমের বিশেষ বাণিজ্যিক চাহিদাও একটি মূল কারণ। গুজরাটের ইলিশে থাকা ডিমের আকার বাংলাদেশের ইলিশের চেয়ে বড় হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ডিমযুক্ত ইলিশের চাহিদা কম থাকলেও বাংলাদেশে এর ব্যাপক কদর রয়েছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে। এছাড়া এই ডিমগুলো বের করে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর আলাদাভাবে স্থানীয় বাজারে বিক্রি কিংবা অন্য দেশে পুনঃরপ্তানি করার সুযোগ থাকে।

পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাইকারি মাছ রপ্তানিকারক সংগঠনের সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানান, বাংলাদেশ সাধারণত ভারত থেকে রুই, বোয়াল, পারশে ও টেংরা মাছ আমদানি করলেও এবারই প্রথম ইলিশ আমদানি করছে। মূলতঃ চলতি মৌসুমে বাংলাদেশে ইলিশের কিছুটা ঘাটতি থাকা এবং গুজরাটের ইলিশের ডিমের বাণিজ্যিক গুরুত্বের কারণেই ভারত থেকে বাংলাদেশে এই ইলিশ আসছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গুজরাটের ভারুচ থেকে বাংলাদেশে আসছে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রতিবছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রূপালি ইলিশের বিশেষ চাহিদা তৈরি হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের পদ্মা ও মেঘনার সুস্বাদু ইলিশ সেখানকার ভোজনরসিকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। এই চাহিদা মেটাতে প্রতি মৌসুমে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে কয়েক হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করে থাকে। তবে চলতি বছর দুই দেশের ইলিশ বাণিজ্যে এক ব্যতিক্রমী ও নজিরবিহীন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

বিগত দুই মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ যাওয়ার পরিবর্তে উল্টো ভারত থেকে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। ভারতের রপ্তানিকারকদের প্রত্যাশা, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, গত বছর বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির ছাড়পত্র দিলেও চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নতুন ঘোষণা আসেনি। ফলে বাংলাদেশে উৎপাদিত ইলিশের ভারতযাত্রা আপাতত বন্ধ রয়েছে।

ভারত থেকে ইলিশ আমদানির নেপথ্যে প্রধানত ভারতের গুজরাট রাজ্যের ভারুচ অঞ্চলের রেকর্ড পরিমাণ ইলিশ উৎপাদন কাজ করছে। গুজরাট ফিশারিজ কমিশনার বিজয় খারাডি জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে গুজরাটে ১৪ হাজার ৫৮৮ টন ইলিশ আহরিত হয়েছে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সমুদ্রের পাশাপাশি সেখানকার নর্মদা নদীতেও মাছের উপস্থিতি অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছেন।

ভারতের এই ইলিশ বাংলাদেশে আসার পেছনে ভোক্তাদের আকর্ষণ ও ডিমের বিশেষ বাণিজ্যিক চাহিদাও একটি মূল কারণ। গুজরাটের ইলিশে থাকা ডিমের আকার বাংলাদেশের ইলিশের চেয়ে বড় হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ডিমযুক্ত ইলিশের চাহিদা কম থাকলেও বাংলাদেশে এর ব্যাপক কদর রয়েছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে। এছাড়া এই ডিমগুলো বের করে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর আলাদাভাবে স্থানীয় বাজারে বিক্রি কিংবা অন্য দেশে পুনঃরপ্তানি করার সুযোগ থাকে।

পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাইকারি মাছ রপ্তানিকারক সংগঠনের সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানান, বাংলাদেশ সাধারণত ভারত থেকে রুই, বোয়াল, পারশে ও টেংরা মাছ আমদানি করলেও এবারই প্রথম ইলিশ আমদানি করছে। মূলতঃ চলতি মৌসুমে বাংলাদেশে ইলিশের কিছুটা ঘাটতি থাকা এবং গুজরাটের ইলিশের ডিমের বাণিজ্যিক গুরুত্বের কারণেই ভারত থেকে বাংলাদেশে এই ইলিশ আসছে।