Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইয়ানবুর আরামকো তেল শোধনাগার ও খামিস মুসাইত ঘাঁটিতে হুথিদের মিসাইল হামলা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী ইয়ানবুতে অবস্থিত সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগার ও স্থাপনা এবং খামিস মুসাইত সামরিক বিমানঘাঁটিকে নিশানা করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের পরিচালিত তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের পাল্টা প্রতিরোধ হিসেবেই এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে সশস্ত্র সংগঠনটি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরান সমর্থিত উক্ত গোষ্ঠীটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, তাদের নিক্ষিপ্ত প্রথম দফার কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক মিসাইল সরাসরি আঘাত হানে ইয়ানবুতে অবস্থিত আরামকোর জ্বালানি অবকাঠামোতে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় হামলাটি অত্যন্ত নিখুঁত ও লক্ষ্যভেদী ছিল, যার ফলে আরামকোর সেই স্থাপনায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।

একই বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও নিশ্চিত করে যে, তাদের পরিচালিত দ্বিতীয় দফার আক্রমণের মূল নিশানা ছিল খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটি। সেখানেও একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল এবং সেই হামলাটিও শতভাগ নিখুঁত ছিল বলে দাবি করে সংগঠনটি।

এর আগের সপ্তাহে এক রক্তাক্ত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী ‘মোখা’ নিজেদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথি বিদ্রোহীরা। মোখা দখলের পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তীব্র আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘বাব এল-মান্দেব’ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল চরম হুমকির মুখে পড়বে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ওমানের রাজধানী মাস্কাটে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সরাসরি এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন।

বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত পাঁচটি পৃথক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশ করে যে, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না পাওয়া এই গোপন বৈঠকটি মাস্কাটে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সম্পন্ন হয়। বৈঠকটি আয়োজনে মূল মধ্যস্থতাকারী রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেছে ওমান।

ফরাসি সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনাটি গত রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উক্ত বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে হুথি প্রতিনিধিরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে, লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী কোনো আমেরিকান কিংবা ইসরায়েলি জাহাজে আক্রমণ করার কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই। তবে সাগরে চলাচলকারী কোনো নৌযান যদি সৌদি আরবের মালিকানাধীন হয় কিংবা তাতে সৌদির কোনো মালামাল পরিবহন করা হয়, তবে সেক্ষেত্রে ওই জাহাজকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়ানবুর আরামকো তেল শোধনাগার ও খামিস মুসাইত ঘাঁটিতে হুথিদের মিসাইল হামলা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:০০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী ইয়ানবুতে অবস্থিত সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগার ও স্থাপনা এবং খামিস মুসাইত সামরিক বিমানঘাঁটিকে নিশানা করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের পরিচালিত তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের পাল্টা প্রতিরোধ হিসেবেই এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে সশস্ত্র সংগঠনটি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরান সমর্থিত উক্ত গোষ্ঠীটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, তাদের নিক্ষিপ্ত প্রথম দফার কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক মিসাইল সরাসরি আঘাত হানে ইয়ানবুতে অবস্থিত আরামকোর জ্বালানি অবকাঠামোতে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় হামলাটি অত্যন্ত নিখুঁত ও লক্ষ্যভেদী ছিল, যার ফলে আরামকোর সেই স্থাপনায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।

একই বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও নিশ্চিত করে যে, তাদের পরিচালিত দ্বিতীয় দফার আক্রমণের মূল নিশানা ছিল খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটি। সেখানেও একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল এবং সেই হামলাটিও শতভাগ নিখুঁত ছিল বলে দাবি করে সংগঠনটি।

এর আগের সপ্তাহে এক রক্তাক্ত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী ‘মোখা’ নিজেদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথি বিদ্রোহীরা। মোখা দখলের পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তীব্র আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘বাব এল-মান্দেব’ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল চরম হুমকির মুখে পড়বে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ওমানের রাজধানী মাস্কাটে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সরাসরি এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন।

বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত পাঁচটি পৃথক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশ করে যে, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না পাওয়া এই গোপন বৈঠকটি মাস্কাটে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সম্পন্ন হয়। বৈঠকটি আয়োজনে মূল মধ্যস্থতাকারী রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেছে ওমান।

ফরাসি সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনাটি গত রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উক্ত বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে হুথি প্রতিনিধিরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে, লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী কোনো আমেরিকান কিংবা ইসরায়েলি জাহাজে আক্রমণ করার কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই। তবে সাগরে চলাচলকারী কোনো নৌযান যদি সৌদি আরবের মালিকানাধীন হয় কিংবা তাতে সৌদির কোনো মালামাল পরিবহন করা হয়, তবে সেক্ষেত্রে ওই জাহাজকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।