গাজা উপত্যকায় ভাইয়ের কবর দেখতে গিয়ে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন ৩৬ বছর বয়সি হামাস যোদ্ধা মোহাম্মদ কামেল সুলাইমান মোহসেন। শুক্রবার আল-সাওয়ারহা কবরস্থানে এই হামলা চালানো হয়।
মোহাম্মদ কামেল তার ভাই খলিলের কবর দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন। খলিল ২০২৪ সালের ১১ মে দেইর আল-বালাহ এলাকায় নিহত হন।
এদিকে, গাজা উপত্যকায় পৃথক দুটি হামলায় দুই হামাস যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। নিহত অন্য ব্যক্তি হলেন ইব্রাহিম ফাওজি ইসমাইল মোহসেন। ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার তাদের হত্যা করা হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানে অন্তত ৭৩ হাজার ৯২৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩০ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ও আহতদের মধ্যে অনেকেই এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছেন, ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় হতাহতের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১ হাজার ৪০৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৯১৬ জন। এই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮৩৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হিসাবে, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় গাজার হাসপাতালগুলোতে পাঁচজন নিহত ও ৩৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। নিহতদের মধ্যে একজন আগে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
একটি তথ্যচিত্রে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গাজার হতাহতের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা গাজার প্রতি ৩১ জন বাসিন্দার মধ্যে অন্তত একজনের সমান এবং আহতের সংখ্যা প্রতি ১৩ জনে অন্তত একজন। গাজার বিভিন্ন এলাকার ধ্বংসযজ্ঞও ওই তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে উত্তর গাজা, গাজা সিটি, দেইর আল-বালাহ, খান ইউনিস ও রাফাহ এলাকার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখানো হয়েছে।























