দক্ষিণ উড়িয়া ও তৎসংলগ্ন উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে আরও দুর্বল হয়েছে। এটি ছত্তিশগড় ও এর কাছাকাছি এলাকায় স্থল নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে এবং ক্রমান্বয়ে আরও দুর্বল হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষরেখা মধ্যপ্রদেশ, নিম্নচাপের কেন্দ্র, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বর্তমানে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় আছে।
এই আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা কমে এসেছে। শুক্রবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় এবং রাজধানীতে তাপমাত্রা ছিল ৩২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন আকাশ কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বোচ্চ ৫১ মিলিমিটার এবং ঢাকায় মাত্র ১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হলেও রংপুর অঞ্চলে এর প্রবণতা কিছুটা বেশি ছিল।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, শনিবার রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সামগ্রিকভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত কমে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে আগামী কয়েক দিন ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


























